ছবি [মির্জা রাসেল]

নরম রোদের পরশ ছড়িয়ে বিকালটা যাই যাই করছে। হাঁটতে হবে আরও অনেকটা পথ। পড়ন্ত গোধূলীর নিঃশব্দ সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পা চালিয়ে চলেছে চারজন মানুষ। নীড়ে ফেরা পাখিগুলো দিনের সমাপ্তিবার্তা নিয়ে ঠিকানার পথে। কারো মুখে টু শব্দটিও নেই। কেবল পাহাড়ি নদীর জলের কল কল শব্দের সাথে পায়ের শব্দের ঐকতান।

মাঘের শুরু বলে শীতটা একটু বেশি। তাই সূর্য পাট চুকিয়ে নেয়ার পর ঝপ করেই শীতের তীব্রতাও বেড়েছে অনেকটা। শীত নিবারণের সকল ব্যবস্থা থাকলেও পায়ের তলায় হিম জল ভাঙতে হচ্ছে বলে সেই ব্যবস্থা খুব একটা কাজে আসছে না। এমনি করে অনেকটা সময় আর অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এসে দাঁড়ালাম আমরা।

এবার উপরে উঠার পালা। বেশ খাড়া ঢাল আর পথও অনেকটা। ঢালটা উঠে এসে একটু বিশ্রামের জন্য বিরতি নেই। হাতের টর্চ ও শির বাতি (হ্যাড ল্যাম্প) নিভিয়ে দিতেই আমাদের জড়িয়ে ধরল এক অদ্ভুত আঁধার। জীবনানন্দ দাশের সেই কবিতার কথা বার বার মনে পড়তে থাকে। খাড়া ঢাল বেয়ে উঠার জন্যই শীতটা এখন আর তেমন অনুভব হচ্ছে না। আকাশের দিকে তাকিয়ে মূর্তি বনে যেতে হয়। সেকি! তারার মেলা। ময়ূরকন্ঠী জমিনের উপর সোনালি রূপালি ফুলের মহাসমুদ্র। তাদের মাঝে কেউ কেউ আবার মিটমিট করে কি যেন বলছে। আমাদের চোখ আকাশ পানে।

পেটে খিদের টান আর হিম শীতল হাওয়া মনে করিয়ে দিল, পথিক, পা চালাও আরও কিছুটা পথ তো যেতে হবে। শিশির ভেজা প্রমাণ আকারের ঘাসে ঘেরা পথ মাড়িয়ে চলেছি, হঠাৎই কুকুরের ডাক। এর মানে গ্রামটা খুব কাছেই হবে। আরও একটু এগিয়ে যেতেই চোখে আসে আগুন ঘিরে থাকা কিছু ছায়ামূর্তি। আমরাও আস্তে আস্তে তাদের কাছে এসে দাঁড়ালাম।

গ্রামটা পাহাড়ের ঢালে, সমতল যায়গা প্রায় নেই বললেই চলে। ঘরগুলো পাহাড়টার ভাঁজে ভাঁজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। পাড়ার (পাহাড়ি গ্রাম) এই ঘরটা অন্য ঘরগুলো থেকে খানিকটা উপরের দিকে। আগুন ঘিরে থাকা মানুষগুলোর মাঝে যিনি বয়জ্যেষ্ঠ, তিনি আমাদের দিকে চেয়ে হাসলেন। এই হাসির মানে আমাদের বুঝতে অসুবিধে হলো না। দিন পাঁচেক আগেই তো ওনার সাথে কথা বলে অনেকটা সময় কাটিয়েছি। সে স্মৃতি এখনও জীবিত। প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের আরও দিন চারেক দেরি হবার কথা কিন্তু পাহাড় ভ্রমণে সব সময় তো প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি এক হয় না। কিন্তু আপনি জানেন না পাহাড় আপনাকে হয়তো চমকে দেবার মতো অন্যকিছু নিয়ে অপেক্ষা করছে।

রাতের রান্নার আয়োজন চলছে সেই সাথে ছেলে বুড়ো-বুড়ি, বাড়ির বউ আর পাড়া পড়শিরাও যোগ দিয়েছে। চুলোর পাড়ে বসে আমি আর দিদি (বাড়ির কর্তী)। সঙ্গীরাও একই ছাদের তলায় কিছুটা দূরে। নানা গল্প হাওয়ায় ভেসে ভেসে আমার কানে আসছে। সাথে করে নিয়ে যাওয়া মাংসের শুটকি রান্নার আয়োজন চলছে। আর মাছের শুটকির হবে ভর্তা।

পাহাড় ভ্রমণে মাংসের শুটকির একটা তাৎপর্য আছে। এক, যারা মাছের শুটকিতে নাক সিটকান তারা এটা খেতে পারবেন আর প্রধানতম কারণ হচ্ছে রেশন হিসেবে যায়গা ও ওজন দুটোইতেই সাশ্রয়ী। তাছাড়া ইদানিং পর্যটক মনোরঞ্জনের জন্য পাহাড়বাসী অহেতুক শিকার করেন। এর দায় আমাদের, তাই এই নেতিবাচক অভ্যাসটা আমাদের বদলানো উচিত।

পাহাড়ে ঋতু অনুযায়ী নানা সবজি পাওয়া যায়। যার কিছু জুমে চাষ হয় আবার কিছু বন্য। খেতেও সুস্বাদু। দিদি নিবিড় দৃষ্টিতে আমার কাজ দেখছিলেন আর মাঝে মাঝে ভুলগুলো শুধরে দিচ্ছিলেন। আলুর বিকল্প কি দেওয়া যায় এটা বলতেই দিদি উঠে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে আসলেন কন্দ জাতীয় একটা সবজী হাতে। বললেন, ‘এটা দাও, ভাল লাগবে।’ আমি নাম জিজ্ঞাসা করতেই বললেন- থাপ্লংপ্লং (Thaplangplang)। তারপর নিজেই পরিস্কার করে বর্গাকৃতির মাঝারি আকারে কেটে দিলেন। থাপ্লংপ্লং এক ধরণের পাহাড়ি কচু; রান্নার পর বেশ নরম হয়ে যায় এবং কোন প্রদাহ নেই।

দিদি নিজের মতো করে মাছের শুটকি ভর্তা করে দিলেন। খেতে বসে এই ভর্তা আমাদের সবাইকে কান্না ও শান্তির পরশ দুটোই দিয়েছিল। ঘুমিয়ে পরার আগেই সংবাদটা আসলো। গ্রামের মূখ্য নিজে এসে বলে গেলেন, পাড়ার কোন একজন ভোজনোৎসবের আয়োজন করেছেন। আমাদেরও যেতে হবে। আমি রাজি, উদ্দেশ্য আদিম কওম প্রথার যে ছিটে ফোঁটা এখনও আছে তার যোগসূত্র খোঁজা। আমার সঙ্গীদের কেউ সম্মতি দিল কেউ আবার ঘোর বিরোধী। তাদের রান্না খেতে পারব না, আবার কি না কি রান্না করে তাও তো একটা বিষয়। আমি বলি, খাই বা না খাই অন্তত উপস্থিতি হই।

রাতের শেষ প্রহর। মৃদু একটা চিৎকার কানে আসছে। কাছে কোথাও বরাহ বধের প্রস্তুতি চলছে। মুখ থেকে কম্বল সরিয়ে দেখি তখনও সমস্ত ঘর জুড়ে কবর অন্ধকার। আস্তে আস্তে পা টিপে টিপে বের হয়ে আসি ঘর থেকে। ঘন কুয়াশা আর অন্ধকারে পুরো চরাচর এককাকার। শব্দটা বেশ জোড়ালো এখন। গাছের ডাল কেটে বানানো ছোট সিঁড়িটা ভেঙে নেমে আসি মাটিতে।

ঘরটার সামনে পূবের দিকটাতেই পাহাড়ের উঁচু অংশ। পাহাড়ের এ অংশটা আর ঘরের মাঝ দিয়ে পায়ে হাঁটার মতো একটা সরু রাস্তা তারপর আরও দুটো ঘর। সেখান থেকেই শব্দটা আসছে। শব্দটা অনুসরণ করে এসে দাঁড়াই তাদের কাছে। এই মুহূর্তে প্রার্থনা চলছে। তারপর শুরু হল বধ যজ্ঞ। বেশ কসরত করেই প্রাণীটার প্রাণ সংহার করতে হল। নিস্তেজ হয়ে যাবার পর শুরু হল অন্যান্য পর্ব।

তাদের এসব ব্যস্ততায় সময়ও চলে যায় অনেকটা। চারিদিকে আলো ফুটে উঠছে। সূর্য তখনো পূবের পাহাড়টাকে ডিঙোতে পারেনি। নারী পুরুষ সকলেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। আজ সকাল ১০ টার পরপরই তো এ বাড়িতেই ভোজনোৎসব। এক বৃদ্ধা আর একজন তরুণী থুরং (পিঠে বহনের ঝুড়ি বিশেষ) নিয়ে চলেছেন জুমে সবজি ও জ্বালানি আনার জন্য। আগ্রহ প্রকাশ করায় তাঁরা আমাকেও সাথে নিয়ে চললেন।

ঘরগুলোর লাগোয়া পাহাড়টার একদম উপরের অংশেই জুম। এখন জুমে হলুদের আর শীতের শেষ সময়ের সবজির সমাহার। পাহাড় উঠছি আর নানা কথা চলছে সেই বৃদ্ধা ও তরুণীর সাথে। তরুণীটিও বেশ বাকপটু। চোখ ওর ঠোঁটের সাথে পাল্লা দিয়েই কথা বলে। বুড়ি মা বেশ মজার মজার কথা বলছেন।

রাস্তাটার দু পাশ জুড়েই বড় বড় গাছ। কিছুটা উপরে উঠার পর একটা ফাঁকা যায়গা। এখানে এসে দাঁড়ালেন বৃদ্ধাটি, তারপর পূব দিকে ইশারা করে বললেন; ঐ পাহাড়ের দিকে দেখ, সূর্য উঠছে। আমি আরও খানিকটা উঠে এসে জুতসই একটা জায়গা পেয়ে গেলাম আর উনারা চলে গেলেন নিজ কাজে। কাজ শেষে আবার আমাকে নিয়ে ফিরবেন, শেষ কথা এই বলে পা বাড়ালেন।

না আঁধার, না আলো – এমন একটা অবস্থা। মেঘ আর কুয়াশার মাঝে পূব দিকে চেয়ে বসে আছি। একটা রক্তলাল আভা দূরের পাহাড়টার ওপাশে জানান দিচ্ছে কিন্তু সূর্যটি এখনও উঁকি দিচ্ছে না। বড় একটা গাছের গুড়িতে বসে, হঠাৎ পাহাড়টার শিরে আলোর সূচের বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সূর্য উঁকি দিল। কুয়াশার মোড়ক খুলে যেতেই দুই পাহাড়ের মধ্যকার স্বর্গরাজ্যটি বের হয়ে আসে আলোর পরশে। মনে হলো ঝিনুক তার খোলস খুলে মুক্তটি দৃশ্যমান্য করল। বেশ অনেকটা নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে রূপসী স্রোতস্বিনীটি। ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকা মেঘগুলো নড়েচড়ে উঠছে। শুভ্র চাদরটাকে সরিয়ে দিয়ে জেগে উঠেছে স্বর্গভূমিটি। স্বরীসৃপের মতো রোদ পোহাতে শুরু করি। বৃদ্ধা ও তরুণীটি ততক্ষণে ফিরে এসেছেন। তরুণীটির হাতে নাম না জানা পাহাড়ি ফল। ছোট হালকা টক স্বাদের। আমার দিকে হাত বাড়িয়ে ইশারায় খেতে বললেন।

ফিরে এসে দেখি সমস্ত পাড়াটাই জেগে উঠেছে। পাড়ায় এখনো বেশ ঠান্ডা। ঘরগুলো সামনে আগুন জ্বেলে ছেলে বুড়ো সবাই আগুনে গা গরম করছে। আমিও নিচের দিকে একটা ঘরের সামনে এসে তাদের সাথে বসি। দন্ডাকার একধরনের আলু (কাচালু) পোড়ানো হচ্ছে। জল খাবার হিসেবে মন্দ না। সময় গড়িয়ে যায় আমরা অপেক্ষায় আছি কখন ডাক পরবে সেই ভোজনোৎসবে।



অবশেষে প্রতিক্ষার পালা শেষ হয়। আমরাও হাজির হলাম সেই নিমন্ত্রণদাতার বাড়িতে। গ্রামের সবাই একসঙ্গে খেতে বসেছে। দুটো ঘরের ভিতরেরটাতে মহিলা ও শিশুরা এবং সামনের দিকেরটাতে বয়োজ্যেষ্ঠরা। গ্রামের মূখ্য অপেক্ষা করছিলেন। আমরা যেতেই বসতে বললেন, কদলী পল্লবে ভাত দেয়া হল সেই সাথে বরাহের মাংস। আমরা যেহেতু এ মাংস খেতে পারবো না তাই আমাদের জন্য মোরগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিমন্ত্রিতরা সকলেই উপস্থিত হলে শুরু হল প্রার্থনা। স্বল্প সময়ের জন্য পুরো পাড়া নিঃশব্দে ডুবে গেল।

যীশুর নামে প্রার্থনা শেষে শুরু হল আহার। মাংস শেষ হতেই মাছ। অবাক হবার মতো বিষয়, পাহাড়িরা মাছ খায় তবে খুব একটা চোখে পড়ে না। জিজ্ঞাসা করাতে বললেন আমাদের জন্য আজ সকালেই খাল থেকে ধরে এনেছেন। প্রায় হাজার ফুট নিচে নেমে মাছ ধরে নিয়ে আসাটা সত্যিই অবাক করার মতোই। মাছের পর আবার মাছের শুটকি, সেটাও আমাদের জন্যই।

ভোজনপর্ব শেষে শুরু হল চমৎকার আড্ডা। চায়ের ব্যবস্থা আছে। চা পরিবেশনে একটা বিশেষ রীতি আছে। গ্রামের মূখ্য (কারবারি) মহাশয়কে সম্মান জানিয়ে তাঁর চায়ের পেয়ালার নিচে একটা থালা বা এ জাতীয় কিছু দেওয়া হয় বাকীরা কিন্তু শুধু চায়ের পেয়ালাই পাবেন। যদি নিমন্ত্রিতদের মাঝে অন্য পাড়ার কারবারি থাকেন তাহলে তিনিও এ সম্মান পাবেন।



চায়ের গ্লাস হাতে নিয়ে গল্পের ফাঁকে জিজ্ঞাসা করি তাঁদের পুরোনো আচার অনুষ্ঠানগুলোর বিষয়ে। বিশেষত সাকচরাই ও কাথারক পূজা। আজকের অনুষ্ঠানটার উদ্দেশ্যেও তো পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নতি, বিপদ হতে রক্ষা, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্যই। পরিতাপের বিষয় নেজারাথের যীশু সব দখল করেছেন। এখন এ বিষয়ে তেমন কিছু বলতেও পারল না। এ প্রজন্মের কেউ নেই যে তাদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলো দেখেছে। এখন সবই হয় যীশুর নামে। জুমের ফসল ভাল হওয়া এবং ছেলেমেয়ের সুস্থতার জন্য আজকের এই আয়োজন। গল্পের শাখা প্রশাখা বৃদ্ধি পেয়েই চলল।

আরও কয়েক পর্ব চা হয়ে গেল। পুরো ঘর ভর্তি মানুষ। সবাই ঘরের দেয়ালের দিকে পিঠ দিয়ে বসে আছি। কেউ যদি এ মজলিশে বসতে চান তবে অব্যশই করজোড় করে ইশারা দিয়ে অনুমতি নিতে হবে। ঠিক তেমনিভাবেই কেউ আগে চলে যেতে চাইলেও অনুমতি নিতে হবে। তবে একবার বসার অনুমতি নিলে আপনি ছোটখাট কাজে উঠে বাহিরে যেতে পারবেন তার জন্য অনুমতির প্রয়োজন নেই। বারবার আমি অতীত ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ নিয়ে আসছিলাম। মহাভারতেও তো ত্রিপুরা রাজ ত্রিলোচনের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ আছে। অন্য সব উৎস হয়তো তাঁরা জানবেন না তবে যেহেতু এক সময় সনাতন ধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং এখনও অনেকে আছেন, তাই মহাভারতের কথা তো জানতেই পারেন। শুধু স্কুল শিক্ষক ও পুরুত মশাই এ বিষয়টা জানেন এবং তাঁরও এ বিষয়ে তেমন আগ্রহ নেই। আগ্রহ কেবল যীশুর গল্প করা ও গল্প শোনায়। কথায় কথায় যীশুর গল্পই শুরু হল। যীশুর শিষ্যদের সাথে শেষ নৈশ ভোজ নিয়ে ভিঞ্চির আঁকা দেয়াল চিত্রের গল্পটা বেশ মন কাড়ল তাঁদের। গ্রামের মূখ্য আর পন্ডিত যীশুর গল্প শুনে বলে উঠলেন বাইবেল থেকে কিছু পড়ে শোনান। সাথে সাথে যত্নে রাখা বাইবেলটিও বের করে সামনে দিলেন। আমার সঙ্গীরা বলি হবার জন্য আমাকেই সামনে ধরিয়ে দিল। কি আর করা …

বাইবেলের পাঠ শেষে শুরু হলো নিমন্ত্রণকারীর আর্শীবাদ নেওয়ার পালা। বয়োজ্যেষ্ঠদের সামনে এসে হাঁটু ভূমিতে রেখে সামনে ঝুঁকে দু হাতের তালু ভুমিতে রেখে মস্তক অবনত করে থাকে নিমন্ত্রণকারী। আর্শীবাদ দাতা গ্রহীতার মাথার ওপর হাত প্রসারিত করে মনে মনে শুভ কামনা করে কিছু বাক্য বলেন। আর্শীবাদ নেওয়া শেষে সকলের উদ্দেশ্যে নিমন্ত্রণ দাতা তাঁর সীমাবদ্ধতা ও অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা ও নিমন্ত্রণ রক্ষা করার জন্য শেষ বারের মতো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে করজোড়ে প্রণাম করেন।

আমরা ফিরে আসছি আর ভাবছি এটা কেমন হল? বদলে যাওয়া দৃশ্যপটে লাস্ট সাপারের গল্প।

3 Comments on “বদলে যাওয়া দৃশ্যপটে লাস্ট সাপারের গল্প”

  1. সুন্দর লিখেছেন মির্জা রাসেল ভাই। অয়োজনটির পুরো দৃশ্যপট খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এরকম আরো অভিজ্ঞতার গল্প শোনার আশায় রইলাম…….

  2. চমৎকার লিখেছেন রাসেল ভাই। আশা করি তাদের জীবনযাত্রা নিয়ে এমন আরও চমৎকার লিখা আপনার কাছ থেকে নিয়মিত পাব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *