এভারেস্টের অশরীরি


চিত্র [দ্যা ফ্যান্টম হান্টার | ব্লেয়ার ব্রুস | ১৮৮৮]


২০০৪ সালের মে মাসের এক শুক্রবারের কথা। পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দুতে দাঁড়িয়ে পেম্বা দরজে শেরপার মন একাধারে আনন্দ আর উত্তেজনায় টগবগ করছে। নেপাল অংশের বেইজ ক্যাম্প থেকে পৃথিবীর শীর্ষে পৌঁছাতে তার মাত্র ৮ ঘন্টা ১০ মিনিট সময় লেগেছে। দ্রুততম সময়ে এভারেস্ট আরোহণের বিশ্ব রেকর্ড করার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। কিন্তু তার এই অর্জনের কথা বিশ্বকে জানাতে হলে সবার আগে এই মৃত্যুপুরী থেকে তাকে নিরাপদে নিচে নামতে হবে। বুক ভরে দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস নিয়ে পেম্বা শেরপা নিচে নামা শুরু করল।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সাউথ কল রুট ধরে দ্রুত নেমে যাচ্ছিলেন পেম্বা। একসময় এসে পড়লেন এভারেস্টের বুকে চিরদিনের জন্য রয়ে যাওয়া মৃত পর্বতারোহীদের মাঝে। অনেকবার এভারেস্টে আরোহণের অভিজ্ঞতা থাকায় পেম্বা জানেন এগুলো খুবই সাধারণ দৃশ্য। কিন্তু হঠাৎ করেই তার দৃষ্টি চলে গেল নতুন এক মৃত দেহের দিকে, যা শিলাপ্রাচীরের গা বেয়ে নেমে আসা দড়িটিতে তখনও ঝুলছে ।

মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়িয়ে আবার নামা শুরু করলেন তিনি। ঠিক যখনি মৃত সেই পর্বতারোহীকে অতিক্রম করছিলেন, হঠাৎ তার মনে হল কিছু ছায়ামূর্তি তাকে ঘিরে ফেলেছে। অশরীরি ছায়াগুলো এমনভাবে হাত বাড়িয়ে তার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে যেন দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুধার্ত থাকা এই ছায়ারা তার কাছে খাবার চাইছে।

না, ছায়ামূর্তিদের কাছে আসার জন্য পেম্বা বেশিক্ষণ সেখানে অপেক্ষা করেননি। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে আরও দ্রুত গতিতে তিনি নিচে নেমে যান। কিন্তু পেম্বা আজও বিশ্বাস করেন সেদিন দেখা অশরীরি ছায়ামূর্তিগুলো ছিল দুর্ভাগা পর্বতারোহীদের অতৃপ্ত আত্মা।


পড়ুন: দ্রুততম সময়ে এভারেস্ট আরোহণের খেতাব হারালেন পেম্বা শেরপা


মাউন্ট এভারেস্টে অশরীরি ছায়ামূর্তি দেখার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। বৌদ্ধ ধর্মের তন্ত্র মন্ত্র ও নানা রকম কুসংস্কারে বিশ্বাসী শেরপারাই শুধু নয় প্রাশ্চাত্যের আধুনিক শিক্ষিত অনেক পর্বতারোহীও এভারেস্টে এমন অস্বাভাবিক অবয়বের উপস্থিতি টের পেয়েছেন বলে বিভিন্ন সময় দাবী করেছেন।

এভারেস্টে শুরুর দিকের এক অভিযানের ঘটনা, প্রখ্যাত ব্রিটিশ পর্বতারোহী ফ্রাঙ্ক স্মিথ বেশ কয়েকবার মাউন্ট এভারেস্ট আরোহণের চেষ্টা করেছেন। ১৯৩৩ সালে প্রথমবারের মত এভারেস্ট আরোহণের সময় স্মিথ তার পাশে অদ্ভুত কিছুর উপস্থিতি অনুভব করেন। এভারেস্টের নর্থ রিজ ধরে ৮৫৬৫ মিটার উচ্চতায় তিনি তখন একা একা আরোহণ করছিলেন। ব্যখ্যাতীত এই ঘটনাটির কথা তার বই ‘ক্যাম্প সিক্স’য়ে তিনি লিখে গেছেন,

“…অদ্ভুত দুটি বস্তু আকাশে ভাসতে দেখলাম। একটু ভালোভাবেই তাকাতে বস্তু দুটির অবয়ব স্পষ্টত হল। তারা দেখতে একেবারে ঘুড়ি বেলুনের মত ছিল। এদের একটির উপর আবার খাটো করে অপরিণত ডানা ও আরেকটির গা থেকে বেড়িয়ে ছিল পাখির ঠোঁটের মত স্ফীত কিছু, যেখান থেকে চায়ের কেটলির মুখ দিয়ে বাষ্প উদগিরণের মত ধোয়া বের হচ্ছিল। এক জায়গায় স্থির হয়ে তারা ভাসছিল কিন্তু তাদের মধ্যে জীবন্ত কিছু স্পন্দিত হচ্ছিল। বস্তু দুটি আমার হৃদস্পন্দনের চাইতেও ধীরে স্পন্দিত হচ্ছিল।”

স্মিথ আরও দাবী করেন, নর্থ কলের ঢাল বেয়ে তিনি যখন একাকী আরোহণ করছিলেন তখন অন্য কারও উপস্থিতির অনুভূতি তাকে অবাক করে দেয়। সেই অশরীরি ছায়া মূর্তিকে এতটাই বাস্তব মনে হচ্ছিল যে স্মিথ তাকে দেয়ার জন্য পকেট থেকে এক টুকরো কেকও বের করেছিলেন।

ভুতের সাথে কেক ভাগাভাগি! তাহলে কি আসলেই পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে অতৃপ্ত আত্মারা ঘুরে বেড়াচ্ছে? অশরীরি কোন কিছুর অস্তিত্ব রয়েছে এভারেস্টে? এই ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্তে আসার আগে এভারেস্টের মৃত্যুপিপাসার ইতিহাসে একটু চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক।

এখন পর্যন্ত ২২০ জনেরও অধিক পর্বতারোহী এভারেস্টে মারা গেছেন। দূর্গম ও দূরহ এভারেস্টের ঢালে মৃতদেহ উদ্ধার করা একই সাথে অত্যন্ত বিপদজন ও ব্যয়বহুল হওয়ায় বেশীর ভাগ মৃতদেহই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অধিকাংশ মৃতদেহই এভারেস্টের ঢালে চির তুষারাবৃত ও ইতস্তত বিক্ষিপ্ত অবস্থায় রয়ে গেছে। এত লাশ এখানে জমা হয়ে আছে যে পৃথিবীর সর্বোচ্চ কবরস্থান এটিকে বলাই যায়।

কিছু লাশ রয়ে গেছে এভারেস্ট আরোহণের বহুল ব্যবহৃত ট্রেইলের একদম পাশেই। আসতে যেতে নতুন আরোহীদের প্রতিনিয়ত মুখোমুখি হতে হয় এদের সঙ্গে। সাদা তুষারে নিথর পড়ে থাকা মৃত পর্বতারোহীদের গায়ের রঙবেরঙের পোশাক আর গিয়ারের জন্য এভারেস্টের উত্তর-পূর্ব রিজের নামই হয়ে গেছে তাই রেইনবো ভ্যালি বা রামধনু উপত্যকা।


পড়ুন: ইয়েতি-রহস্যের-সমাধান


প্রাচীনকাল থেকেই হিমালয়ের কোলে বাস করা জাতিগোষ্ঠীদের বিশ্বাস, হিমালয় হচ্ছে  দেবতাদের রাজত্ব। তিব্বতের ধর্মমতে তন্ত্র-মন্ত্র, দেবী দেবতা ও দানবের প্রভাব বেশ বলিষ্ঠ। শেরপারা বিশ্বাস করে, পর্বতে অপঘাতে যারা মৃত্যুবরণ করে, যাদের শেষকৃত্যটুকুও হয় না তাদের আত্মা কখনোই নির্বান পায় না, স্বর্গ নরক কোথাও তাদের জায়গা হয় না। চিরকাল তারা অতৃপ্ত আত্মা হিসেবে বিক্ষিপ্তভাবে পর্বতে ঘুরে বেড়ায়। আর পর্বতে এরকম আত্মার সংখ্যা এত বেশি যে কারো বাড়ি ফিরতে দেরি হলেই তারা ভাবে এই বুঝি কোন আত্মার মুখোমুখি হল!

শেরপারা হিমালয়কে শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভয়ের দৃষ্টিতে দেখে। তারা মনে করে হিমালয়ের দেবী ক্ষেপে গেলে তিনি ভয়ানক শাস্তি দেবেন। দেবীর আক্রোশে অপঘাতে মৃত্যু ঘটবে আর তাদের আত্মা অতৃপ্ত হয়ে ঘুরে বেড়াবে। শ্বাসরুদ্ধকর সৌন্দর্য্য, রোমাঞ্চ আর স্থানীয় মিথের আখড়া এই হিমালয় ধারণ করে এমন কিছু রহস্য যা এখনও আমরা ঠিকঠাকভাবে বুঝে উঠতে পারিনি।

তাহলে, সাগরমাতায় পেম্বা আর স্মিথের অভিজ্ঞতা কি প্রমাণ করে শেরপাদের বিশ্বাসই সঠিক?

সংশয়বাদীরা অবশ্য বলেন পর্বতারোহীদের এই অবাস্তব কিছুর সংস্পর্শে আসা বা অশরীরি কোন ছায়া দেখার ঘটনাকে মানুষের মন ও মস্তিষ্কের  উপর কঠিন পরিবেশ ও অতি উচ্চতায় প্রভাব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। প্রচন্ড ক্লান্তিতে, শারীরিক দূর্বলতায়, অবিশ্বাস্য রকম  ঠান্ডায়, ক্ষুধার্ত পেটে,  স্বল্প অক্সিজেনে ও অতি উচ্চতাজনিত অসুস্থতার সংমিশ্রণে মানব মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা সহজেই নড়বড়ে হয়ে পড়ে। মস্তিষ্কে  সমন্বয়ের অভাব দেখা দেয়, স্মৃতিশক্তি  দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সবকিছু মিলিয়ে এক ধরনের ইন্দ্রজালের মত হ্যালুসিনেশন তৈরি করে।

এই অন্য কারও অদৃশ্য উপস্থিতি অনুভব করার বিষয়টিকে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন, FOP বা Feeling of Presence। মাইকেল সারমা’র ‘দ্যা বিলিভিং ব্রেইন’ বইয়ে এই হাইপোথিসিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই হাইপোথিসিস অনুযায়ী এফওপি সিনড্রোম শুধু পর্বতারোহীদেরই হয় না। এটা হতে পারে মেরু অভিযাত্রী, নিঃসঙ্গ নাবিক অথবা নিরবিচ্ছিন্ন অনুশীলনরত কোন ক্রীড়াবিদের সাথেও। অর্থাৎ প্রচন্ড শারীরিক ও মানসিক চাপে থাকা যেকোন ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারেন এফওপি ইফেক্টে।

এই হাইপোথিসিসকে কেন্দ্র করে ২০১৪ সালে বৈজ্ঞানিকভাবে একটি গবেষণা করা হয়েছিল। সেবছর সুইস বিজ্ঞানীদের একটি দল ভুত দেখা সংক্রান্ত গবেষণায় অংশগ্রহণ করতে স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ করেন। মানব মস্তিস্কের যে অংশে মোটর সেন্সরি সিগনাল গৃহীত হয় সেখানে ছোট্ট একটা বাঁধা তৈরি করে গবেষক টিম, ফলাফলে স্বেচ্ছাসেবকরা শূণ্যে ভাসমান মানব শরীর সদৃশ্য অবয়ব দেখতে শুরু করে।

পরীক্ষা শেষে গবেষকরা বলেন, অশরীরি ছায়া দেখা বা এই এফওপি ইফেক্ট আসলে মস্তিষ্ক দ্বারা সৃষ্ট এক ধরনের মায়া। আমরা যখন প্রচন্ড রকম মানসিক চাপে থাকি বা মারাত্নক শারীরিক পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে যাই বা নিঃসঙ্গতা থেকে বিষন্ন থাকি তখন আমাদের অবচেতন মনের চিন্তা ও কল্পনা মস্তিষ্কে এক ধরনের ইলিউশন বা ভ্রম তৈরি করে।

হিমালয়ের অতি উচ্চতায়, মারাত্নক ক্লান্ত অবস্থায় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে এফওপি সিন্ড্রোম হবার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। ১৯৭৫ সালের ব্রিটিশ এভারেস্ট অভিযানের অভিযাত্রী দলের সদস্য ডোগাল হাসটন ও ডগ স্কট এরকমই এক ভয়াল রাতের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছিলেন।

হাসটন ও স্কট এভারেস্ট সামিট করে নিচে নামার সময় অক্সিজেন সিলিন্ডফারে ত্রুটি দেখা দেয়। খারাপ আবহাওয়া থেকে বাঁচতে তারা আট হাজার মিটারের উপরে ডেথজোনের একটা জায়গায় তুষার খুঁড়ে গুহা বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কোন ধরনের খাবার দাবার, স্লিপিং ব্যাগ ছাড়া ক্লান্ত শরীরে তারা দীর্ঘ রাত কেটে যাবার প্রতীক্ষা করছিলেন। এক সময় তাদের সাথে থাকা অতিরিক্ত অক্সিজেন ফুরিয়ে যায়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায় যখন তাদের সাথে থাকা স্টোভের বিউটেন গ্যাসও শেষ হয়ে যায়। এমন অবস্থায় সকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন কিনা তারা কেউই আশাবাদী ছিলেন না।

এমন সময়ে দুজন অনুভব করেন গুহায় তাদের সাথে তৃতীয় আরেকজন উপস্থিত হয়েছে। তাকে দেখা যাচ্ছে না কিন্তু তার উপস্থিতি দুজনই টের পাচ্ছিলেন। সারারাত ধরে সেই অদৃশ্য অশরীরি তার শরীরের উত্তাপ দিয়ে দুজনের হিম হয়ে যাওয়া শরীরকে গরম করার চেষ্টা করে গেছে সেই সাথে তাদের সাথে কথা বলে কিভাবে রাতটুকু কাটিয়ে দেওয়া যাবে এই ব্যাপারে উপদেশ দিয়ে যাচ্ছিল।

পিটার হিলারি থেকে শুরু করে লিংকন হল বা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ পর্বতারোহী রেইনহল্ড মেসনার ও তাদের পর্বতাভিযানের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এমন এক অশরীরি ছায়ার উপস্থিতির কথা বলেছেন।

এভারেস্টের এমন আরেকটি রহস্যময় ঘটনা বলি। ১৯৯৬ সালে এভারেস্ট অভিযানে এক ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়ে মারা যান আট অভিযাত্রী, ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েন আরো অনেকে। এভারেস্ট আরোহণের ইতিহাসে ভয়াবহতম এই বিপর্যয় নিয়ে জন ক্র্যাকায়ার লিখেন তার বেস্ট সেলার বই ‘ইনটু থিন এয়ার’।  এই বইয়েই বর্ণনা করা হয়েছে অদ্ভুত রহস্যময় ঘটনাটি। ঝড় যখন এভারেস্টের দেয়ালে আঘাত হানে জন তখন নিচে নেমে আসছিলেন। ক্যাম্প ফোরের কাছাকাছি এসে তার মনে হয় তার দলসঙ্গী অ্যান্ডি হ্যারিস সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। কয়েকবার ডাকাডাকি করলেও সেই ছায়ামূর্তি তার কোন উত্তর দেয়নি। অনেক পরে আবিষ্কার হল দুর্ভাগা অ্যান্ডি হ্যারিসের মৃতদেহ ক্যাম্প থেকে অনেক উপরে নিথর পড়ে আছে। তাহলে জন আসলে কাকে দেখেছিল সেই সময়? এটা কি তার ভ্রম ছিল নাকি এভারেস্টের হিম শীতল এই রাজ্যে আসলেই আছে কোন অশরীরি?

পৃথিবীর সর্বোচ্চ এই পর্বতের অশরীরি রহস্যকে আধুনিক বিজ্ঞান আর গবেষকেরা হয়ত নানাভাবেই ব্যাখ্যা করতে পারেন, কিন্তু ঐ বিশেষ মুহূর্তের অভিজ্ঞতা তাই বলে মিথ্যে হয়ে যায় না। যেমন মিথ্যে হয়ে যায় না দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে ওঠার অনুভূতি, যেমন মিথ্যে হয়ে যায় না অন্ধকার নির্জন রাতে শশ্মানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাবার সময় গা ছমছমে অনুভূতি- যদিও আমাদের জানা থাকে ভয় পাবার কোন কারণই নেই। তারপরেও অজানা কারণে শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা স্রোত নেমে যায়, হাতের লোম দাঁড়িয়ে যায়। তেমনি সব ব্যাখ্যার পরেও চির তুষারাবৃত হিমালয় তার সব সৌন্দর্য, রোমাঞ্চ, লোকগাথা আর কিংবদন্তির সাথে ঢাকা থাকে রহস্যের মোড়কে।


উপজীব্য
[১] Camp Six by Frank Smythe
[২] Alpine Journal
[৩] Into thin air by Jon Krakauer

(Visited 1 times, 1 visits today)
মাহবুবা ইসলাম বহ্নি
মাহবুবা ইসলাম বহ্নি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতক। নিজেকে রূপকথার কিম্ভুত ফিনিক্স হিসেবে পরিচয় দেন। লেখালেখি তার ভাললাগা আর ঘুরাঘুরি তার ভালবাসা।

One thought on “এভারেস্টের অশরীরি

মন্তব্য করুন

*Please Be Cool About Captcha. It's Fun! :)