রুংরাং

রাজ ধনেশের নামে পাহাড় আছে বান্দরবানে। নাম তার রুংরাং তং। দূর থেকে কির্স তংয়ের ডান পাশে যে পাহাড় দেখা যায় সেটাই রুংরাং। ওখানে রাজ ধনেশের অপর নাম রুংরাং। এখন পর্যন্ত চারবার যাওয়া হয়েছে কির্স তংয়ের সবচেয়ে কাছের পাড়া পারাওপাড়ায়। রাজ ধনেশের দেখা পেয়েছি তিনবার। এছাড়া বান্দরবানের রেমাক্রিতেও পাখিটির এক পরিবারের দেখা পেয়েছিলাম।

দাগিঘাড় কুটিপেঁচা

পাহাড় আমার বরাবরই ভালো লাগে। আকাশ ছোঁয়া গাছ, পাহাড়ের পিঠে পাহাড়, ভেলার মত মেঘ, অচেনা অজানা কিছুর ভয় আর উঁচু-নিচু পথ দিয়ে ভয়ানক সব বাঁক; এইতো পাহাড়। এর আগে দুইবার মুন্না ভাইয়ের সাথে যাওয়া হয়েছিল কির্স তংয়ের জঙ্গলে। এবারো মুন্না ভাইয়ের সঙ্গে সেখানেই যাব বলে মনস্থির করলাম। এপ্রিল মাসের শেষ

পাহাড়, অরণ্য ও অরণ্যশূণ্যতা

পাহাড়, অরণ্য ও অরণ্যশূণ্যতা

আমরা সবাই উন্নয়ন খুব ভালবাসি, তাই উন্নয়নের দোহাই দিয়েই লেখাটা শুরু করা যাক। এইতো কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ বেশ সাফল্যের সাথে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা বা মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) অর্জন করেছে। এখন সামনে আছে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি), যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জন করতে হবে। আমাদের উন্নয়ন

পাহাড়ি বনের পাখি: লেঞ্জা মোটাথুটি

বাংলাদেশের পাহাড়ি বনের পাখি

আমাদের ভালবাসা আর কাজ দুটোই পাখি নিয়ে। আমাদের পাহাড়ে কি কি পাখি আছে তা দেখতে তাই বারবার পাহাড়ে ছুটে যাওয়া। দিনের পর দিন ঘন জঙলে ঘাপটি মেরে বসে থাকি যদি কেউ দেখা দেয়। সেবার আমি আর সায়েম ভাই কির্সতংয়ের পাশে একটা সাইকাস গাছের নিচে পঞ্চো মেলে শুয়ে ছিলাম। কিছু একটা দেখার

তুষার ঢাকা রূপালী গ্রামে

তুষার ঢাকা রূপালী গ্রামে

[গোরখে গ্রামের শুরু] যাত্রাটা শুরু হয়েছিলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সবচাইতে উঁচু পাহাড় সান্দাকফু থেকে। যেখান থেকে নিচের সবকিছুই মেঘের কারণে অদৃশ্যমান, যেখান থেকে যতদূর চোখ যায় খাঁ খাঁ করা নীলাভ শীতল আকাশ ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না, শুধু একটা পাশ ছাড়া। ঐ একটা পাশেই দৃষ্টিসীমা আড়াল করে স্বগর্বে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর