তাজিং ডংয়ের আশেপাশে

[১] দিনভর গরম পড়েছে। প্রথমে লক্কড় ঝক্কর একটা বাস, তারপরে উচুঁ-নিচুঁ পাহাড় আর চড়া রোদ। খুব একটা আনন্দঘন পরিবেশ না। ঘণ্টা দুই হাঁটার পর বৃষ্টি ঝেঁপে এলে দিলখোশ হয়ে গেল। বোর্ডিং পাড়ার দিকে যাচ্ছি। বৃষ্টি আর বাজ পড়ার শব্দ, পানির পর্দায় ঢাকা ঝাপসা পাহাড়, উচুঁ উচুঁ গাছের মাথা দুলতে দেখে ক্লান্তি

বদলে যাওয়া দৃশ্যপটে লাস্ট সাপারের গল্প

ছবি [মির্জা রাসেল] নরম রোদের পরশ ছড়িয়ে বিকালটা যাই যাই করছে। হাঁটতে হবে আরও অনেকটা পথ। পড়ন্ত গোধূলীর নিঃশব্দ সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পা চালিয়ে চলেছে চারজন মানুষ। নীড়ে ফেরা পাখিগুলো দিনের সমাপ্তিবার্তা নিয়ে ঠিকানার পথে। কারো মুখে টু শব্দটিও নেই। কেবল পাহাড়ি নদীর জলের কল কল শব্দের সাথে পায়ের শব্দের

চিয়াসটপই

ছবি [সন্দীপ রায়] সকালে ঘুম ভাঙ্গল সন্দীপের ডাকে। গতকাল রাস্তা ভুল করে আমরা দুজন এই পাড়াতে চলে এসেছি। কিন্তু তাতে ভালই হয়েছে, কারণ কাল থেকে পাড়ার মানুষের আতিথেয়তায় আমি মুদ্ধ। রাতে কারবারি দাদা মুরগি দিয়েছিল খাবার জন্য। অনেকদিন পর যেন কাল পেট ভরে খেলাম। রাতে এক দাদার সাথে পরিচয় হয়েছিল যিনি

সুউচ্চ বৃক্ষরাজি ও ভাল মানুষদের গল্প

One of the last mature forest patches of CHT_Sayam U. Chowdhury

উঁচু উঁচু পাহাড়ের তলদেশে, মায়ার উপত্যকায়, অতিকায় বৃক্ষরাজি হতে উচ্ছ্বাসের ফিসফিসানি আর উৎসুক হাওয়ায়, যেখানে বৃষ্টি আদিম শিকড় ছুঁয়ে, পাহাড়ি ছড়া হয়ে নেমে আসে। এখানে মমতা নিয়ে বাঁধা বাঁশের তৈরি ঘরে ভাল মানুষ, পাহাড়ি কৃষক বসবাস করে। কখনও কি আপনি আমাদের সবুজ পাহাড়ের এতটা গভীরে গিয়েছেন, যেখানে এর সত্যিকারের বাসিন্দাদের খোঁজ পাওয়া যায়? ধারণা করি

শান্ত পাহাড়ের দেশ

সবুজে ছাওয়া, পাহাড়ে ঘেরা ছোট্ট দেশ ভুটান। বহু শতাব্দী প্রাচীন স্থাপনা যেখানে মুহূর্তেই টেনে নিয়ে যায় ইতিহাসের পাতায়। প্রকৃতি যেখানে বুলিয়ে দেয় স্নিগ্ধ পরশ, বাতাস এসে ফিসফিসিয়ে বলে যায় সুদূর অতীতের না বলা সব আখ্যান, প্রথম দেখাতেই মানুষরা বরণ করে নেয় আন্তরিক হাসিতে। অদ্ভুদ মায়াময়, শান্ত পাহাড়ের সেই দেশ ভুটান। শেষ বিকেলে