কে-টু: ষড়যন্ত্র আর বিশ্বাসঘাতকতার গল্প

[ছবি] কে-টু / উইকিমিডিয়া কমন্স ১৯৫৪ সালের ৩১ জুলাই, পর্বতারোহণের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ইটালির দুজন পর্বতারোহী পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চূড়া কেটু আরোহণ করে। এই অভিযান ফ্যাসিস্ট রাস্ট্র হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইটালির পরাজয়ের লজ্জাকে কাটিয়ে উঠে নিজেদের বীরত্বকে জাহির করার একটি অভূতপুর্ব সুযোগ হিসেবে ধরা দেয়। জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুব্ধ এই অভিযান শেষ

নাঙ্গা পর্বত

ছবি: ফেইরি মিডোজ |  ইমরান খাকওয়ানি | CC BY-SA 4.0 এক. পূর্ব দিগন্তে আলো ফোটার আগেই আচমকা ফ্রয়েনবার্গারের ঘুম ভেঙে গেল। খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা মাথায় আসতেই ফ্ল্যাপের চেইন খুলে তাড়াতাড়ি সে  তাঁবু থেকে বেড়িয়ে গেল। ব্যাগ্র হয়ে সে তাকালো উত্তুরে ঢালের দিকে, কোন জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়াল তার চোখ। কিন্তু গাঢ় এক

এক কিংবদন্তির জন্মদিন

১৯২৪ সালের আজকের এই দিনে পর্বতারোহণের ইতিহাসের এক অন্যতম ট্র্যাজিক ঘটনা ঘটেছিল যা আজও এক কিংবদন্তি ও অমীমাংসিত ধাঁধা হয়ে রয়েছে। এদিন ব্রিটিশ এভারেস্ট অভিযানের দুজন পর্বতারোহী জর্জ ম্যালরী ও এন্ড্রু আরভাইন চূঁড়ার খুব কাছ থেকে রহস্যময়ভাবে শ্বেতশুভ্র পর্বতের রাজ্যে চিরদিনের মত হারিয়ে যান। আজ থেকে ৯৪ বছর আগে ৮ই জুন

বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা (শেষ পর্ব)

বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা (পর্ব ১)

পড়ুন পর্ব ৩ সম্পাদকের কথা 'হিমালয়, এভারেস্ট ও বাংলাদেশ' ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রাবণ প্রকাশনী হতে প্রকাশিত মীর শামছুল আলম বাবুর রচিত একটি সম্পূর্ণ গ্রন্থ। আমাদের এই লেখনীর শিরোনামটি অর্থাৎ 'বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা' সেই গ্রন্থেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অধ্যায়টির তাৎপর্য বিবেচনায় সেটিই লেখকের অনুমতিক্রমে পর্ব আকারে অদ্রিতে প্রকাশ করা হয়েছে। আজ প্রকাশিত

বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা (পর্ব ৩)

বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা (পর্ব ১)

পড়ুন পর্ব ২ সম্পাদকের কথা 'হিমালয়, এভারেস্ট ও বাংলাদেশ' ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রাবণ প্রকাশনী হতে প্রকাশিত মীর শামছুল আলম বাবুর রচিত একটি সম্পূর্ণ গ্রন্থ।আমাদের এই লেখনীর শিরোনামটি অর্থাৎ 'বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা' সেই গ্রন্থেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অধ্যায়টির তাৎপর্য বিবেচনায় সেটিই লেখকের অনুমতিক্রমে পর্ব আকারে অদ্রিতে প্রকাশিত হচ্ছে। সম্পাদনায় সীমিত শাব্দিক/ ভাষাগত পরিমার্জন