নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং: আমার অভিজ্ঞতা

রিপোর্টিংয়ের একদিন আগেই পৌঁছেছি। ক্যাম্পাসের প্রতিটি অলিগলি পরিচিত। চারপাশটা নিজের উঠান মনে হচ্ছে, যদিও প্রায় চার বছর পর আবার এসেছি। এর আগে এখান থেকেই পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। বলছি পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং’ এর কথা। এর ক্যাম্পাসটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৩০০ ফিট উঁচুতে অবস্থিত। এপ্রিলের ২৪

ট্রেক প্রতিবেদন: গাড়োয়াল হিমালয়ের সান্নিধ্যে

ধুক ধুক করছে বুকটা, উপরের দিকে তাকালেই রন্টি স্যাডেলকে দেখা যাচ্ছে, দুই দিক থেকে ত্রিশূল আর নন্দাঘুন্টির দুইটা রিজ এসে মিলেছে যে জায়গা টায় সেটাই রন্টি স্যাডেল নামে পরিচিত। ১৭০০০ ফিট উঁচু এই স্যাডেল যুগ যুগ ধরে মানুষকে আকর্ষণ করে চলেছে নিজের মায়াবি উচ্চতায়। চোখের সীমানায় চলে এসেছে জায়গাটা সেই

ব্যর্থ অভিযানের ডায়রি

অভিযান সময়কাল নভেম্বর, ২০১৭ দলের সদস্য আরিফুর রহমান, আশরাফুল হক, শাহিন গাফফার লক্ষ্য চুলু ইস্ট (৬৫৮৪ মিটার)/ চুলু ফার ইস্ট (৬০৫৯ মিটার) মূল রিজলাইনের ঠিক নিচে যখন পৌঁছেছি ঘড়িতে তখন দুপুর ১২ টা পেরিয়েছে। ব্যাকপ্যাকটা রেখে ওখানেই বসে পড়লাম, খুব হতাশ লাগছে। গত ২৭ ঘণ্টায় প্রায় ১৪০০ মিটারের মত হাইট গেইন করেছি, ৩৯৮৫ মিটার থেকে এখন

অধরা স্বপ্ন

[শেষ বিকালের আলোয় রাঙা কাং ইয়াৎসে। ছবি: তন্ময় সজীব] কি করছি আমি এখানে? রুক্ষ কঠিন এবড়ো থেবড়ো পাথরে ঠিকরে পরা সূর্যের আলোয় ঝলমল করতে থাকা উপত্যকার দিকে ক্লান্ত আর শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ তন্দ্রার মত চলে এসেছিল। ঘুম ভাবের চটকটা হঠাৎ কেটে যাবার মুহূর্তে বুঝে উঠতে পারছিলাম না কোথায়

জার্জি কুকোজকা: এক লড়াকু পর্বতারোহী

এক. ২৪ অক্টোবর ১৯৮৯। পৃথিবীর চতুর্থ সর্বোচ্চ পর্বত লোৎসের ওয়েস্ট ফেস দিয়ে আরোহনের চেষ্টা করছিলেন জার্জি কুকোজকা। চূড়ার ঠিক ৩০০ মিটার নিচে থাকা অবস্থায় হঠাৎ তার ক্লাইম্বিং রোপ ছিড়ে যায়। গড়িয়ে পরে যান ২০০০ মিটার গভীর খাদে। সমাপ্তি ঘটে কিংবদন্তী এক পর্বতারোহীর জীবন অধ্যায়ের। জার্জি কুকোজকা, পরিচিত মহলে সবাই যাকে চিনতো জুরেক