স্বপ্নের পথে: মাউন্ট দেও তিব্বা

ভার্টিকাল ড্রিমার্স থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারতের হিমাচল প্রদেশের মাউন্ট দেও তিব্বায় অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। অভিযানটি হবে  আল্পাইন স্টাইলে। আমরা জানতাম বছরের ওই  সময় আবহাওয়া  খারাপ  থাকবে। আমাদের ৫ জনের দল। দলের একজনেরই শুধু অতি উচ্চতায় অভিযানের পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল। তবে আমরা এই এক্সপেডিশনের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী ছিলাম কারণ

ট্রেক প্রতিবেদন: স্মৃতিতে পাংগারচুলা

পাহাড়কে ভালোবাসার শুরু ক্লাস ফাইভের বাংলা বই থেকে। তেনজিং নোরগে আর স্যার এডমন্ড হিলারির এভারেস্ট অভিযানের রোমাঞ্চকর গল্প ছিল সেখানে। ছোটবেলায় বাসায় রাগারাগি হলে একা একা হাঁটতে বেরিয়ে পড়তাম। সারাদিন হেঁটে অনেক দূরে চলে যেতাম, সুন্দরবনের পাশেই বাসা বলে হয়ত প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাবার একটা টান ছিল। সেখান থেকেই মনের

টিম গ্রাভিটি: গ্রীষ্মকালীন অভিযান

পরিকল্পনা ছিল আমরা যারা পর্বতারোহণ করতে ভালবাসি তাদের মধ্যে একটি প্রফেশনাল টিম গঠন করা যারা আগামীতে বাংলাদেশে এক্সট্রিম স্পোর্টসের তালিকায় মাউন্টেনিয়ারিংকে তুলে ধরতে পারবে। এই আইডিয়া থেকেই আমাদের ক্লাব ‘দ্যা কোয়েস্টে’র শুরু। ক্লাবের ভেতরে ও বাহিরে মাউন্টেনিয়ারিং অথবা ট্রেকিংয়ের কম বেশি অভিজ্ঞতা আছে এমন কয়েকজন নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়

প্রতিবেদন: মাউন্ট ইয়ানাম

কোন দিক থেকে শুরু করবো? পরিকল্পনা থেকেই শুরু করি। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে আমাদের শিক্ষক মেহেদী রাজীব স্যারকে বললাম, স্যার আমরা তো কয়েকটা হাই-অল্টিটিউড ট্রেক করে ফেলেছি এখন সময় এসেছে একটা ছোটখাট এক্সপেডিশন করার। আর যেহেতু আমরা ইউল্যাব অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের সাবেক সদস্যরা এটা করতে চাচ্ছি তাই সাবেকদের ক্লাব

নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং: আমার অভিজ্ঞতা

রিপোর্টিংয়ের একদিন আগেই পৌঁছেছি। ক্যাম্পাসের প্রতিটি অলিগলি পরিচিত। চারপাশটা নিজের উঠান মনে হচ্ছে, যদিও প্রায় চার বছর পর আবার এসেছি। এর আগে এখান থেকেই পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। বলছি পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং’ এর কথা। এর ক্যাম্পাসটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৩০০ ফিট উঁচুতে অবস্থিত। এপ্রিলের ২৪