রুডুগাইড়া চূড়ায় বাংলাদেশ

[ছবি] প্রলয় খান গত ৯ অক্টোবর স্থানীয় সময় বেলা ১১:৪৫ মিনিটে বাংলাদেশের তারিক ইবনে নাজিম ৫৮১৯ মিটার উচ্চতার রুডুগাইড়া চূড়ায় আরোহণ করেন। বাংলাদেশের ৩ জন ও ভারতের ৬ জন সদস্য উক্ত অভিযানে অংশ নেন। বাংলাদেশের 'ঘুরতে থাকা চিল' ও ভারতের 'ট্রেক অ্যান্ড ফ্লাই হিমালায়াস' যৌথভাবে এই ইন্দো-বাংলা অভিযানটি পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ থেকে

পথ পরিক্রমা: জ্যুকো উপত্যকা ট্রেক

ইংরেজিতে ‘Picturesque’ বলে একটা শব্দ আছে। যার অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘চিত্রানুগ’। জ্যুকো উপত্যকাকে প্রথম দেখায় সেই শব্দটাই মাথায় আসবে। ছবির মতোই সাজানো এই জ্যুকো উপত্যকা নাগাল্যান্ডে অবস্থিত এক মনোরম অঞ্চল। অঞ্চল না বলে উপত্যকা বলাই ভালো। ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত এই উপত্যকাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪৩৮ মিটার বা প্রায় আট হাজার ফিট

তাজিং ডংয়ের আশেপাশে

[১] দিনভর গরম পড়েছে। প্রথমে লক্কড় ঝক্কর একটা বাস, তারপরে উচুঁ-নিচুঁ পাহাড় আর চড়া রোদ। খুব একটা আনন্দঘন পরিবেশ না। ঘণ্টা দুই হাঁটার পর বৃষ্টি ঝেঁপে এলে দিলখোশ হয়ে গেল। বোর্ডিং পাড়ার দিকে যাচ্ছি। বৃষ্টি আর বাজ পড়ার শব্দ, পানির পর্দায় ঢাকা ঝাপসা পাহাড়, উচুঁ উচুঁ গাছের মাথা দুলতে দেখে ক্লান্তি

নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং: আমার অভিজ্ঞতা

রিপোর্টিংয়ের একদিন আগেই পৌঁছেছি। ক্যাম্পাসের প্রতিটি অলিগলি পরিচিত। চারপাশটা নিজের উঠান মনে হচ্ছে, যদিও প্রায় চার বছর পর আবার এসেছি। এর আগে এখান থেকেই পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। বলছি পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং’ এর কথা। এর ক্যাম্পাসটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৩০০ ফিট উঁচুতে অবস্থিত। এপ্রিলের ২৪

পাহাড় বড় আশ্চর্য জায়গা

আমার প্রথম পাহাড় দেখার ঘটনা ২০১১/১২ তে, ব্যাচমেটদের সাথে রাঙ্গামাটি যাওয়া। জন্মের পর থেকে প্রথম ১৮ বছর কেটেছে চট্টগ্রামে। পাহাড়, সমুদ্র, নদী মিলে এরকম চমৎকার শহর আমি কমই দেখেছি এখনো। অথচ এই ১৮ বছরে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি তো নয়ই, সীতাকুন্ড পর্যন্ত যাইনি কখনো। বাসায় বই পড়া, টিভি দেখা, আরও নানা