স্বপ্নের পথে: মাউন্ট দেও তিব্বা

ভার্টিকাল ড্রিমার্স থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারতের হিমাচল প্রদেশের মাউন্ট দেও তিব্বায় অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। অভিযানটি হবে  আল্পাইন স্টাইলে। আমরা জানতাম বছরের ওই  সময় আবহাওয়া  খারাপ  থাকবে। আমাদের ৫ জনের দল। দলের একজনেরই শুধু অতি উচ্চতায় অভিযানের পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল। তবে আমরা এই এক্সপেডিশনের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী ছিলাম কারণ

ট্রেক প্রতিবেদন: স্মৃতিতে পাংগারচুলা

পাহাড়কে ভালোবাসার শুরু ক্লাস ফাইভের বাংলা বই থেকে। তেনজিং নোরগে আর স্যার এডমন্ড হিলারির এভারেস্ট অভিযানের রোমাঞ্চকর গল্প ছিল সেখানে। ছোটবেলায় বাসায় রাগারাগি হলে একা একা হাঁটতে বেরিয়ে পড়তাম। সারাদিন হেঁটে অনেক দূরে চলে যেতাম, সুন্দরবনের পাশেই বাসা বলে হয়ত প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাবার একটা টান ছিল। সেখান থেকেই মনের

অন্নপূর্ণা অভয়ারণ্যে বারো দিন

সামনে যতদূর দৃষ্টি যায় দুই পাশ দিয়ে চলে গেছে সুউচ্চ পর্বত। মাঝের উপত্যকার মতন জায়গা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি আমরা। কাঁধে প্রায় দশ কেজি ওজনের ব্যাকপ্যাক আর হাতে ট্রেকিং-পোল। পথের পাশেই অনেকটা নিচ দিয়ে পর্বত থেকে নেমে আসা শীতল জলধারা। নীলচে-সবুজ আভার সেই জলধারার দিকে তাকালেই এক দারুণ প্রশান্তিতে ভরে উঠে

গতির খেলার ইতিকথা: ট্যুর ডি সিএইচটি

পর্বতে সাইকেল রেসের ধারণা আমাদের দেশে বেশ নতুন নতুন লাগে, অথচ এর বৈশ্বিক শুভ সূচনা খুব নতুন কিছু নয়। যেদিন থেকে মাউন্টেইন বাইকের উদ্ভব, বলতে গেলে সেদিন থেকেই শুরু গতির এই খেলার। নিজেদেরকে ‘ক্লাংকার্স’ নামে ডাকা কিছু উর্বর মস্তিস্ক থেকে প্রথম পাহাড় বেয়ে উঠানামার জন্য বিশেষায়িত সাইকেলের নকশার ব্যাপারটি সামনে

ট্যুর ডি সিএইচটি

tour-de-cht-audree

অদ্রি প্রতিবেদক ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাস। কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে গ্রুপ সাইক্লিং শেষ করেই পিকআপে সাইকেল তুলে বান্দরবান অভিমুখে রওনা দিল তিন যুবক। বান্দরবানে তাদের অপেক্ষায় আছে আরো চার জন। উদ্দেশ্য বান্দরবান-থানচি রোডে সাইক্লিং করা। মাইনুল ইসলাম রাহাত, খন্দকার শাহীনুর রহমান (শাওন), সাদেক হোসেন সনি, নূর মোহাম্মদ, মো: শরীফুল ইসলাম, পার্থ