ফিরে দেখা: আমার প্রথম কেওক্রাডং অভিযান | পর্ব ৩

২য় পর্বের পর  আবার সুসাং পাড়ার কথায় ফিরে আসি। কেওক্রাডং থেকে সুসাং পাড়ায় যেতে হলে খাড়া রাস্তায় প্রায় এক হাজার ফিট নামতে হয়। সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। খাড়া রাস্তাটা প্রায় ৭০ ডিগ্রি খাড়া। কোন কোন জায়গায় সেটা আশি ডিগ্রি পর্যন্ত। এই রাস্তা পাড়ি দিতে গিয়ে আমার বাঁ পায়ের হাঁটুতে প্রচণ্ড

ফিরে দেখা: আমার প্রথম কেওক্রাডং অভিযান | পর্ব ২

প্রথম পর্বের পর যাত্রার শুরুতেই সে [শাহাবুদ্দিন] তার ননস্টপ টেপরেকর্ডার চালু করে দিলো। এই এলাকার আনারসের ফলন কেমন হয়, কবে থেকে শুরু করে, কোন গ্রামে গেলে সুন্দরী পাহাড়ি তরুণীদের সাথে ছবি তোলার সুযোগ পাওয়া যাবে, সব বিষয়েই সে অগাধ জ্ঞান রাখে। তার অনর্গল বকবকানিতে রেজা আর রিপন বিরক্তি প্রকাশ করতেই সে তার

ফিরে দেখা: আমার প্রথম কেওক্রাডং অভিযান

    ১৮ই এপ্রিল, ১৯৯৮। আজকে প্রায় ১৯ বছর পর যখন তারিখটার দিকে তাকাই তখন নতুন করে শিহরণ জাগে। এই দিনেই আমি আমার দুই বাল্যবন্ধু রেজাউল ইসলাম (রেজা) আর রিপন চন্দ্র দাসকে নিয়ে কেওক্রাডং চূড়া স্পর্শ করেছিলাম। এখনকার অভিযাত্রীরা কল্পনাও করতে পারবে না কতোটা দুর্গম ছিল তখনকার বান্দরবান। পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ছাড়া,