আদিবাসী ও দেশান্তর

গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে একটা চাঞ্চল্যকর খবর আসে আলীকদমের গহীন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে। তৈন খাল সংলগ্ন রালাই পাড়ার পাওয়াই ম্রো তার পরিবার নিয়ে মাতামুহুরি নদীর একেবারে উজানের দিকের এক গেইটওয়ে দিয়ে ওপারে অর্থাৎ মিয়ানমারে পাড়ি জমাচ্ছিল। সে জানত না, দুর্গম সে সীমান্তে পুঁতে রাখা আছে বিধ্বংসী স্থল মাইন। অভাগা পাওয়াই

প্রকৃতির প্রতিশোধ

[ফাইল ছবি] শামিমা মিতু বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চলে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত মানেই জায়গায় জায়গায় ভূমিধ্বস। ফলস্বরূপ শতশত তাজা প্রাণ চাপা পড়ে মাটির নিচে। গত কয়েকদিনের অতি বৃষ্টিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দেড়শ ছুঁইছুঁই। এটা আসলে অনেক বড় একটা সংখ্যা। পুরোনো গাছ কেটে ফেলা, নিয়মভঙ্গ করে পাহাড় কেটে মাটি

পর্বতে মৃত্যু ও উইলি

জীবন বাজি রেখে ভয়ংকরতম খেলায় উন্মত্ত অংশগ্রহণ, মৃত্যুর পসরা সাজিয়ে বসে থাকা নির্দয় পর্বতে শত অনিশ্চয়তা উপেক্ষা করেও বারবার ছুটে যাওয়া- এসবের পেছনকার চালিকাশক্তি কি? উত্তর হল- চরম ঐকান্তিকতায়, প্রগাঢ়ভাবে বেঁচে থাকার স্পৃহা আর দুর্নিবার মোহ। সাধারণ মানুষ যেটাকে অযৌক্তিক বলে উড়িয়ে দেন, পাগলামি বলে হা-হুতাশ করতে থাকেন সেটাকেই চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস ২০১৬

আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস

ভূ-অভ্যন্তরের টেকটনিকে আন্দোলন, অতঃপর দিগন্ত ঢেকে দেওয়া গগনভেদী উলম্ব সব অবয়বের সৃষ্টি। স্নিগ্ধ সবুজ থেকে শুরু করে নিদারুণ শুভ্রতা, বরফগলা কিংবা আদিম বৃক্ষের শিকড় ছুয়ে নেমে আসা প্রাণদায়ী জলধারায় পুষ্ট জীববৈচিত্র্যের আশ্চর্য ভাণ্ডার; এইতো পাহাড়, এইতো পর্বত। সমগ্র পৃথিবীকে টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে পর্বতের ভূমিকা অসামান্য। এই পর্বত

একটি সফলভাবে ব্যর্থ অভিযানের গল্প

| সেপুক ঝিরিতে নামার আগের জঙ্গল ট্রেইল। পথ দেখাচ্ছিল আমাদের ক্যাসপাইের বন্ধু মং থং। সুংসাং পাড়ার কারবারি দাদার ঘরে মনমত পেটপূজা করে যখন দক্ষিণ-পূর্বের ট্রেইল ধরে হাঁটা দিয়েছি তখন কেবল দুপুর গড়িয়েছে। আজকের গন্তব্য জারুছড়ি পাড়া। চমৎকার রৌদ্রোজ্জল পরিবেশে এতক্ষণ বেশ আরামসেই ট্রেক করছিলাম। পাংক্ষিয়্যাং ঝিরি পার হতে না হতেই আকাশে