সাইংপ্রা স্পর্শ

সাইংপ্রা স্পর্শ

সাইংপ্রা! নামটা প্রথম শুনি বড় ভাইদের কাছ থেকে। একটা ছবি দেখে মনে হয়েছে সরচরাচর বান্দরবানে যেসব জলপ্রপাত দেখি সেগুলো থেকে এটা একটু ভিন্ন আর বুনো। ছবিটা ছিল কোন একটা ভ্যালী থেকে তোলা; দেখা যাচ্ছে অনেক উঁচু একটা পাহাড় থেকে বড় একটা জলপ্রপাত উপর থেকে পড়তে পড়তে জঙ্গলে হারিয়ে গেছে, কোথায় শেষ বোঝা যাচ্ছে না; সাথে আবার ছোট আরেকটা। বান্দরবানের কোথাও এমন দৃশ্য আমার চোখে পড়েনি। পরবর্তীতে জানা গেল ঐ পাহাড়টার নাম কির্স তং; যেটা চিম্বুক রেঞ্জের সব থেকে উঁচু পাহাড়।

গত তিন বছর সাইংপ্রাকে নিয়ে শুধু গল্পই শুনে গেছি! জলপ্রপাতটা কির্স তং জঙ্গলে পড়েছে বলে এর নিচে যাওয়া খুব কঠিন ও ঝুঁকির। এসবই আসলে ইচ্ছেটাকে প্রবল থেকে প্রবলতর করে তোলে। সেই যা-ই হোক, ২০১৬ সালের জুলাই মাস। প্রথমবারের মত আলীকদম ঢুকবো; প্রধান উদ্দেশ্য অবশ্যই সাইংপ্রা। ঢাকা থেকেই অভিজ্ঞদের সাথে আলোচনা করে পথ পরিকল্পনা ঠিক করে ফেললাম। ছয়-সাত জনের দল হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটা নয় জনে গিয়ে ঠেকে।

কির্স তং সামিট করে এসে সাইংপ্রার কাছের একটা মুরং পাড়ায় থাকি, সেই রাতে পাড়ার দাদাদের সাথে গল্প করে জানতে পারলাম সাইংপ্রার ৪-৫ টা ধাপ আছে, পাড়ার এক দাদা ভাল্লুক শিকার করতে গিয়ে নিচের ধাপগুলো দেখেছিলেন, কিন্তু কেউই উপরের ধাপ থেকে নিচে নামেননি। দাদা বললেন ‘রাস্তা অনেক খারাপ, তোমরা যাইতে পারবে না।’ পাহাড়িরা যখন বলে রাস্তা খারাপ, তখন আমি সবসময়ই বুঝে নেই রাস্তা ভালো রকমেরই খারাপ। রাতেই আমাদের দলটাকে ছোট করার সিদ্ধান্ত হয়; নয় জনের ভিতর থেকে তিন জন যাবে। কারণ এ ধরনের অভিযানে বড় দল নিয়ে গেলে বেড়ে যায় ঝুঁকি, কমে যায় সফল হবার সম্ভাবনা। আর এজন্যই একটা ভালো টিম নির্বাচন করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তো বাকী ছয় জন দলের সাফল্যের কথা চিন্তা করে নিজেদের যাওয়ার ইচ্ছা বিসর্জন দেয়। নিজেদের ভিতর বোঝাপড়া না থাকলে এটা কঠিন।

পরদিন সকালে আমরা পুরো দল নিয়ে সাইংপ্রার উদ্দেশে পাড়ার পুরাতন জুম ধরে রওনা দিলাম, পরিকল্পনা হলো দূর থেকে সাইংপ্রা দেখে ছয়জন চলে আসবে। বাকি তিন জন নিচে নামবে অর্থাৎ মূল অভিযানে যাবে। পাড়ার যেই দাদা গিয়েছিলেন, তার যেতে আসতে ৪-৫ ঘণ্টা লেগেছে শুনেছি। তাই সময় হিসেব করে বাকিদের বললাম দুপুর তিনটার দিকে আমরা পাড়ায় চলে আসবো।

পুরাতন জুম থেকে দেখছি রুংরাংয়ে মেঘেদের খেলা জমেছে, কিন্তু কোন কিছুই এখন আর মনে ধরছে না; আনমনা চোখ শুধু খুঁজে বেড়াচ্ছে সেই দানবীয় সৌন্দর্য। অনেক্ষণ হাঁটার পর গাছের ডালের ফাঁক দিয়ে প্রথমবার নিজের চোখে তার বন্য রূপ দেখে আমি ভুলে গেছি সব। নিচের অন্ধকার ঘন বনের দিকে তাকিয়ে মনে হলো যেন আমাজনের বনে চলে এসেছি। এখানেই গা ছম ছম করছে।

অল্প কিছুক্ষণ পর বাকিরা চলে গেলো আর আমরাও নিচে নামার জন্য প্রস্তুত। একটু নামতেই দেখি জঙ্গল, নামার কোনো উপায়ই নেই। গ্রাম থেকে নিয়ে আসা দা দুইটা বের করে জঙ্গল কাটা শুরু করলাম। খাড়া নামতে নামতে আর জঙ্গল কাটতে কাটতে কখন যে মৌমাছির বাসা কেটে ফেলেছি জানি না। ঘাড় আর হাতে কামড় খেয়ে ফুলিয়েই ফেললাম। কিন্তু কিচ্ছু করার নেই, তাড়াতাড়ি নামাও যাচ্ছে না, সামনের জঙ্গল কেটেই নামতে হবে। আমার মাথায় বেশি ঘুরছিলো সাপের চিন্তা। মৌমাছির কামড় টামড় খেয়ে ৪০ মিনিট পর দেখলাম জঙ্গল শেষ, সূর্যের আলো দেখা যাচ্ছে। একটু সামনে এগুতেই খুশি মনে ক্ষণিকেই অন্ধকার নেমে এলো।

পাহাড় ধ্বসের কারণে একটা জায়গা খাড়া নেমে গেছে অনেকদূর। একদম খাড়া বলে সেখান দিয়ে কোনভাবেই নামা যাচ্ছে না, আর আশেপাশে কোথাও যে কিছু ধরে নামব সে উপায়ও নেই। র‌্যাপলিং করে নামার সিদ্ধান্ত নিলাম আমরা। আমাদের সাথের রোপটা প্রায় ১৬০ ফিট। গাছের সাথে সেট করে প্রথমে আমি ১২০ ফিট নেমে বাকিদের  জন্য অপেক্ষা করবো, কিন্তু  সামনে কোথাও দাঁড়ানো অথবা বসার মত জায়গা নেই বলে ৮০-৯০ ফিট নেমে থেমে গেলাম। কিন্তু সেখানে ঠিকমত দাঁড়াতেও পারছি না, কোন মতে বসে রইলাম স্লিপ কাটতে কাটতে। এরপর আবার আমার পরের জন নামার সাথে সাথে উপর থেকে পাথর গড়িয়ে আসছে। কি বিপদ!

আমাদেরকে আবার রোপ সেট করতে হবে, কিন্তু কিছু খুঁজে পাচ্ছিলাম না; শেষে ছোট একটা গাছের সাথে সেট করতে বাধ্য হলাম। গাছটা একটু দুর্বল তাই এক জন এক জন করে নামলাম আরও ১৪০ ফিটের উপর। র‌্যাপলিংয়ের পুরো জায়গাটা ছিল ভয়ংকর। তার উপর পাথরগুলো এমনভাবে গড়িয়ে পড়ছে যে একবার একটা গায়ে পড়লে বড় বিপদ হবে।

পাথরগুলার উপর শেওলার স্তর আর পিচ্ছিল ভাবই বলে দেয় মানুষের পা এইদিকে কমই পড়ে।

এরপর আমরা চিম্বুল ঝিরিতে নেমে পড়ি যেখানে আবার আরেকটা ঝিরি এসে মিলেছে। দুই ঝিরির মিলন স্থলে আমরা পানি খেয়ে সাইংপ্রা ঝিরিতে ঢুকলাম। সাইংপ্রা ঝিরিটা অন্যসব ঝিরির মত না। ঝিরির কথা উঠলেই চিরচেনা যেই রূপ চোখে ভাসে, তার সাথে মিলাতে পারছি না একে। ঢুকতে না ঢুকতেই আমাদের একজন স্লিপ কেটে পড়ে যায়, কিন্তু ভাগ্যক্রমে তেমন কিছু হয়নি, শুধু পায়ে একটু ব্যথা পেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা বুঝে যাই অন্যসব ঝিরিতে যেমন করে হাঁটি এখানে সেভাবে হাঁটলে হবে না, একটু বুঝে শুনে হাঁটতে হবে। বড় বড় পিচ্ছিল সব বোল্ডারের উপর দিয়ে উঠে উঠে যেতে হচ্ছে।

ভয়ঙ্কর সুন্দর একটা ট্রেইল। কিন্তু অবচেতন মনকে গ্রাস করে আছে ভয়, আর নিজের প্রথম স্বপ্নের হাতছানি। আচমকা কোন শব্দ শুনলেই মনে হচ্ছে এই বুঝি ভাল্লুক! ঝিরির দু পাশে কির্স তংয়ের ঘন স্যাঁতসেঁতে জঙ্গল। অন্ধকার ঝিরি ধরে ঘণ্টা খানেক হাঁটার পর আমি আর না পেরে ক্যামেরা বের করলাম। আর তখনি দেখলাম ঝিরির উপর ২-৩ তলা সমান একটা বোল্ডার, এটা পার হওয়ার কোন উপায় না পেয়ে আমরা বসে পড়লাম। মন তখন বলছিলো আর সামনে আগানো উচিত হবে না।

কিছুক্ষণ চিন্তা করে ঝিরির ডান দিকের কাঁটাময় জঙ্গল দিয়ে উঠার চেষ্টা করলাম। কিছুক্ষণ উঠার পর সুবিধা করতে না পেরে আবার ঝিরিতে নামার জন্য রাস্তা খুঁজতে গিয়ে দুই টা বড় বড় বোল্ডারের ফাঁক গলে বের হয়ে দেখি ঝিরি। খুশি মনে হাঁটতে হাঁটতে সামনে এগিয়ে কিছু বড় সাইজের কাঁকড়া পেয়ে গেলাম, রাতে খাওয়ার জন্য ধরেও ফেললাম।

তখনও আমরা জানতাম না সাইংপ্রার এতটা কাছে আমরা। এই ক্যাসকেডের উপরে গিয়েই প্রথম সাইংপ্রা দেখতে পাই।

দুপুর ১.৩০ মিনিট। ৪-৫ ঘণ্টা হয়ে গেল এখনো জল দানবের দেখা পেলাম না। মনে হচ্ছিল পড়ন্ত বিকেলে ট্রেক করছি কারণ সূর্যের আলো ঘন জঙ্গল ভেদ করে ঝিরিতে ভালোভাবে পোঁছতে পারছে না। আরও প্রায় ৩০ মিনিট পর হঠাৎ আমাদের চোখে ধরা দেয় সাইংপ্রার নিচের তিনটা স্টেপ যেগুলো দেখে অবাক হয়ে আমি ট্রেকসঙ্গী ফয়সালকে বললাম এইগুলা তো সাইংপ্রা না। বুঝতে পারলাম সাইংপ্রা যেতে হলে আরও উপরে উঠতে হবে। একদম নিচের ধাপের এলিভেশন পেলাম ১৬৩৫ ফিট। হালকা নুডুলস খেয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করলাম, কিন্তু দেখলাম উঠার কোন ধরণের রাস্তা নেই। কিন্তু এত কাছে এসে ফিরে যাবো, এটা মানতে পারছিলাম না বলে আরেকবার চেষ্টা করলাম দড়ি দিয়ে। কিছুদূর উঠে এরপর গাছের শিকড়, কাণ্ড যা-ই পাচ্ছি সেটা ধরে কোন মতে উঠছি, একদম উপরের ধাপের নিচে।

কাছে গিয়ে প্রথম সাইংপ্রার এই ধাপগুলোই চোখে পড়ে।

তারপর ঠিক ১০ মিনিট নিশ্চুপ হয়ে শুধু তার দানবীয় সৌন্দর্য দেখলাম। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বেশিক্ষণ থাকতে পারলাম না, কারণ তখন বাজে বিকাল ৪ টার বেশি। সন্ধ্যা হবে ৭ টায়, তার আগে আমাদেরকে ঝিরি থেকে বের হয়ে ক্লাইম্ব করে ঐ পাহাড়ে উঠতে হবে। প্রথম ধাপের নিচে এলিভেশন মেপে দেখলাম ২০১৭ ফিট। সব ধাপ যোগ করলে অনুমান করছিলাম ৫০০ ফিটের উপর হবে উচ্চতা।

সাইংপ্রার একদম উপরের ধাপ; যেটা দূর থেকে দেখা যায়। সাইংপ্রা বলতে এতদিন আমরা শুধু এটাকেই চিনতাম।
জিপিএস রিডিং নিচ্ছিলাম উপরের ধাপের নিচে।
সাইংপ্রার ৩নং ধাপ।

যেই পথে এসেছি সেই পথে ঝিরি  ধরেই যাচ্ছি। অবাক ব্যাপার আমাদের গতি অনেক বেড়ে গেছে, অন্ধকারের ভয়েই হয়তো। আমরা দুই ঘণ্টার মধ্যে ঝিরি ট্রেক শেষ করি যেখানে যাওয়ার সময় তিন ঘণ্টার বেশি লেগেছিল। পুরোটা সময় জুড়ে একটা চিন্তা মাথায় ঘুরছিল, টিমের বাকি সদস্যদের বলেছিলাম দুপুর ২-৩ টার মধ্যে পাড়ায় এসে সবাই এক সঙ্গে রুংরাং সামিট করবো। ওরা আমাদেরকে নিয়ে যে মহা দুশ্চিন্তায় আছে বুঝতে পারছি।

দড়ি বেয়ে যখন ধ্বসের জায়গাটা দিয়ে উঠছি তখন ৬ টার মত বাজে। উপর থেকে এতো পরিমাণ পাথর গড়িয়ে পড়ছিলো যে কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। শেষে একসাথে তিন জন দড়ি বেয়ে উঠে পড়ি, ততক্ষণে সূর্যের আলোর শেষ আভাটুকুও বিলীন হয়ে গেছে। বাকি জঙ্গল ট্রেইলটুকু যে রাস্তা আমরা যাওয়ার সময় কেটে কেটে গিয়েছি, সেটা দিয়েই উঠে আসলাম পরিষ্কার জুমের রাস্তায়। বাকি পথটা গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে টর্চের আলোতে আমরা যখন পাড়ার কাছে এসে পৌঁছেছি, তখন দেখলাম পাড়াতে থেকে যাওয়া সদস্যরা আমাদের নাম ধরে ডাকাডাকি করছে, নিশ্চিত হতে যে আমরা কিনা! সাড়া দেয়ার পর দূর থেকে ওরা দৌড়ে আসল, আর সবার একটাই প্রশ্ন ‘সবাই ঠিক আছে তো?’ আমি অবাক হলাম সাইংপ্রার নিচে যেতে পেরেছি কিনা কেউ জিজ্ঞেস করছে না কেন? সবাই এসে আমাদের জড়িয়ে ধরছে। পরে বুঝতে পারলাম ওদের মনে আমাদেরকে নিয়ে অনেক খারাপ চিন্তা চলে এসেছিলো, তাই আমরা ঠিকঠাক ফিরেছি এটাই ওদের জন্য বেশি ছিল। আমি আর চেপে রাখতে না পেরে বললাম ‘উই ডিড ইট!’ সবাই তখন সজোড়ে চিৎকার! পুরো পাড়ার মানুষ-জন এক হবার জোগাড়!

ওরা জন্য খিচুড়ি রান্না করে রেখেছিলো আর আমরা ওদের জন্য এক বোতল সাইংপ্রার পানি নিয়ে এসেছি সেটা ওরা জমজম কূপের পানি যেমনি খায় তেমন করেই খেয়ে নিল। সবশেষে, একটা জিনিস বুঝতে পারলাম, ‘একটা ভালো টিম থাকলে আপনার দ্বারা অনেক কিছুই সম্ভব।’

শেষ কথা
আমরা যেই ট্রেইলে গিয়েছিলাম সেখানে আমাদেরকে  র‍্যাপলিং করতে হয়েছে। কিন্তু কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া কেউ র‍্যাপলিং করার চেষ্টা করবেন না, আমার অনুরোধ থাকলো। র‍্যাপলিং করতে হলে মৌলিক কিছু জিনিস জানতে হয়, যেমন : [১] র‍্যাপলিং করতে হলে আপনার সঙ্গে ভালো রোপ থাকতে হবে। [২] ক্যারাবিনার ও  হার্নেস প্রয়োজন হবে।  [৩] নটগুলো সম্পর্কে আপনার ভাল ধারণা এবং চর্চা থাকতে হবে।

(Visited 1 times, 1 visits today)
রকি এমদাদ
রকি এমদাদ
ছবি তোলা ও নিজের মত মানচিত্র তৈরি করা তার শখ। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সময় সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের সবুজ পাহাড়ে ছুটে চলে যান। প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাদা পাহাড়ে পদচারণার।

২১ thoughts on “সাইংপ্রা স্পর্শ

    1. আমি নিজেও গর্বিত এমন টিম আছে বলে আমাদের । কিন্তু টিম নিয়ে আশা আরো বেশি অনেক। সাথে পাবো সব সময় আপনাকে আশা করি

  1. ‘একটা ভালো টিম থাকলে আপনার দ্বারা অনেক কিছুই সম্ভব।’— রকি
    অনেক ভালোবাসা ♥ তোর জন্য দোস্ত…..
    তবে খিচুড়ির সাথে একটা স্পেশাল চাটনিও ছিল :p

  2. অপেক্ষা করাটা সেদিন আসলেই অনেক কষ্টের ছিলো, আর তোরা ঠিক মত ফেরত আসছিশ এতেই আমরা অনেক খুশী ছিলাম. লেখাটা খুব ভালো হয়েছে রে

    1. আমরা আসার পর তোরা কেও আস্ক করিস নাই যে সাইংপ্রা যাইতে পারছি নাকি সেটা আমাকে অবাক এবং প্রাউড ফীল করাইছে

  3. Upner likhata pore ami oi jaygay ghure ashlam and same thrill pelam. Lekhar sharthokota atei. Akhon bandarban r onek adventure bhomoner likha porar shujog hoy, onlionne r shoujoone ta aro shohoj toro hoyeche. Asha kori likha chaliye jaben. bhomon niye jokhon likha shuru koresilam tokhon hate gona koyekjon I silo, bhomon niye notunera aro likhbe ai kamona kori. Best wishes.

  4. আপনাকে ওই জায়গার ফীল কিছু তা দিতে পারছি শুনে বেশি লাগলো। আরো পাবেন লিখা ধন্যবাদ

  5. লাপিউ ভাই <3 পুরো লেখাটায় যেন একটা মাদকতা ছিলো। কখন যে শেষ হয়ে গেছে বুঝলাম না। শুধু একটা আফসোস হোল ইসস আমি ও যদি এই অভিযানের সঙ্গী হতে পারতাম? আপনার এমন আরো সুন্দর অভিজ্ঞতার গল্পের অপেক্ষায় থাকলাম। আর এমন অভিযানের সঙ্গী হতে পারলে তো কথাই নাই। অনেক অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।

  6. সাইংপ্রা ঝিরির আগে কি বুলাই পাড়া নাম এ কোন পাড়া আছে?
    ওদিকে একবার গিয়েছিলাম। কিন্তু ঝর্ণার খবর জানতাম না।

  7. Likhata valo lagche. amra o shei somoy Saingpra jete cheyechilam, but oeidin mushuldhare bristy porechilo tai jete pari nai. Tomar likhata pore mone holo Saingpra ghure ashlam. Hats off Rocky and ur team.

মন্তব্য করুন

*Please Be Cool About Captcha. It's Fun! :)