নূর মোহাম্মদের সাক্ষাৎকার (পর্ব ১)


বর্তমান প্রজন্মের পাহাড়প্রেমীদের কাছে নূর মোহাম্মদ নামটা একটু অপরিচিত। কিন্তু বাংলাদেশে পাহাড়ে ঘুরাঘুরি বা পর্বতারোহণের শুরু থেকেই তিনি আছেন। তাই অগ্রজ পর্বতারোহীদের তালিকায় তাঁর নাম প্রথম দিকেই থাকবে। পেশায় তিনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। শিক্ষা জীবন শুরু করেছেন লালমাটিয়া প্রাইমারি স্কুল থেকে, তারপর লালমাটিয়া বয়েজ হাই স্কুল থেকে এসএসসি। উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (কোডা) থেকে। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন, ফাইনাল পরীক্ষা অর্ধেক দেবার পর কোর্স শেষ না করেই একাডেমিক অধ্যয়নকে বিদায় জানান।
শিক্ষা জীবনেই তিনি বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হন। সেই জায়গা থেকে যোগ দেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনে। বলা যায় সেখান থেকেই তার অ্যাডভেঞ্চারের শুরু। অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সাথে দেশের পাহাড়গুলোতে তিনি ট্রেকিং শুরু করেন। মাউন্টেন ডিউ’র পৃষ্ঠপোষকতায় ‘মাউন্টেন ডিউ টিম এক্সট্রিম প্রতিযোগিতা জিতলে যাবে এভারেস্ট’  নামে একটি প্রতিযোগিতা শুরু হয়। সারাদেশ থেকে তিনজন প্রতিযোগী এবং টেকনিক্যাল টিম থেকে দুইজনকে নিয়ে মোট পাঁচ জন হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বেসিক মাউন্টেনিয়ারিং কোর্স করার সুযোগ পান। নূর মোহাম্মদ কোর্সটি সফলভাবে সমাপ্ত করেন। শুধু তাই নয়, পুরো কোর্সের মধ্যে একজন সেরা ছাত্র হিসেবে মেডেলও প্রাপ্ত হন।
পেশা জীবনে বর্তমানে কাজ করছেন সেইফটি অ্যাসিস্টেন্স ফর ইমারজেন্সিস-এ(সেইফ)। এছাড়াও কয়েকটি ক্লাব বা গ্রুপে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এরমধ্যে বিএমটিসি, অভিযাত্রী, বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব অন্যতম।
অদ্রির সঙ্গে এই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে পর্বতারোহণ নিয়ে নূর মোহাম্মদের আগ্রহের শুরু, ভাবনা, এর চর্চা প্রবাহ ও ভবিষ্যৎ চিন্তা। বিশেষভাবে উঠে এসেছে দেশের অন্যতম একটি পর্বতারোহণ ক্লাবের জীবনচক্রে নানা অংশে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব ও সদস্য হিসেবে এর নানা অংশে নিজের অংশগ্রহণ।

অদ্রি: আপনার পাহাড়-পর্বতে ঘুরাঘুরির শুরু হল কি করে?

নূর মোহাম্মাদ: ১৯৯৭ সালের কথা, আমি বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের সদস্য হই। আকাশ দেখতে আমার ভালো লাগত, কিন্তু তখন আকাশের নক্ষত্রগুলো চিনতাম না। লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি বয়েজ হাই স্কুলে থাকতে আব্দুল হাই আমাদের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি একদিন প্রক্সি ক্লাস নিতে গিয়ে কালপুরুষ, ধ্রুবতারা, নক্ষত্র দিয়ে কল্পনা করে ছবি আঁকার গল্প বলেছিলেন। ওই বিষয়টা কোনভাবে তখন আমার মাথায় ঢুকে যায়। বাসায় যখন বিদ্যুৎ চলে যেত, আমি ছাদে উঠে আকাশের তারা দেখতাম। জানতাম না যে এলাকার ছেলেপেলেরাও আমার এই বিষয়টি খেয়াল করে। একবার এলাকার ছেলেরাই আমাকে খুঁজে বের করে। এসে বলে নূর ভাই, আপনি এখানে বসে আকাশ দেখছেন, আর ওইদিকে আবাহনী মাঠে তো টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশ দেখাচ্ছে। তখন একটা কৌতূহল তৈরি হল, আরে! আকাশটা আরেকটু কাছে এনে দেখাচ্ছে! আজাদ ভাইয়ের তত্বাবধানে ওইদিন আমি আকাশ দেখি। সপ্তর্ষিমণ্ডল প্রথমবারের মত দেখি, কালপুরুষও। পরদিনই অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের সদস্য হই। ওখানে দারুণ একটা পরিবেশ পাই, সবার মধ্যে আন্তরিক একটা সম্পর্ক ছিল। ধীরে ধীরে কাজ করতে থাকি।

২০০৩ সালে সূর্যউৎসবে কেওক্রাডং চূড়ায় অভিযাত্রীবৃন্দ।

২০০৩ সালে ৪০ জনের একটা টিম নিয়ে আমরা কেওক্রাডং আরোহণ করি। ঢাকার আশেপাশে যেকোন মিস্ট্রিয়াস কিছু পেলে ওখানে চলে যেতাম। ঘোরাঘুরির এভাবেই শুরু। কিন্তু পাহাড়ে যাওয়ার যখন শুরু তখন আমি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের সদস্য, জিকরুল এহসান শাওন-ভাইয়ার বাসায় গ্যারেজে আমাদের একটা ওয়ার্কসপ ছিল। আজকের যে নূর মোহাম্মদ তা তৈরি হওয়ার পেছনে ওই ওয়ার্কশপটা অনেক কাজ করেছে। ওখান থেকে অনেক কিছু শিখিছি, আমারা ওখানে স্বপ্নকে বুনতে শিখেছি। শুধু আমি না, আমার মত অনেক ছেলেমেয়ে ওখানে স্বপ্ন বোনা শিখেছে, স্বপ্নে ঝাঁপ দিতে শিখেছে। স্বপ্নে ঝাঁপ দেওয়ার একটা সময় চলে আসে যখন খবর পাই ইমরান ভাই [মুনতাসির মামুন ইমরান] ও রিফাত ভাই [রিফাত হাসান] এভারেস্ট বেইজ ক্যাম্পে গিয়েছেন। ঘুরে এসে তারা ইনাম আল হকের বাসায় স্লাইড শো-সহ অভিজ্ঞতা বলেন। ইনাম আল হক গঠন করেন এভারেস্ট টিম-১। তার কিছুদিন বাদেই মিলন ভাই ও ইনাম ভাই মিলে মাউন্টেইন ডিউ টিম এক্সট্রিম প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন, যেখান থেকে বাছাই করা হয় তিনজনকে। পুরস্কারস্বরূপ ভারতে পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং তারা এভারেস্ট বেইজ ক্যাম্প যাবে।

২০০৩ সালে প্রথম কেওক্রাডং সামিট করা, তারপর বেশ কয়েকবারই বান্দরবান যাওয়া হয়েছে, কিন্তু তখনো পর্বতারোহী হব বা হিমালয়ে যাব এই রকম স্বপ্নগুলো আমার মধ্যে জাগেনি, যদিও আমি জানছি এভারেস্ট টিম হচ্ছে। মাউন্টেইন ডিউ টিম এক্সট্রিম পুরো গেমের ডিজাইন আমি আর মিলন ভাইসহ আরো দু-একজন মিলেই করেছি। হার্ট অ্যান্ড সোল চেষ্টা করেছি, সবাই অনেক খেটেছি, কাজটা শেষ পর্যন্ত সফলভাবে তুলে এনেছি । প্রতিযোগীতায় তিনজন নির্বাচিত হয়- মুঈদ, তানিম, মাসুদ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওরা। এর সাথে এই প্রতিযোগিতার পেছনে এত এফোর্ট দেওয়ার কারণে মিলন ভাই বলেন আমাকেও প্রশিক্ষণে পাঠাবেন। এরপর তিনিই টাকা দিয়ে আমার পাসপোর্ট করিয়ে দিলেন। ওই টিমের সাথেই আমরা দুই জন (মিলন ভাই ও আমি) এইচ.এম.আই যাই ট্রেনিং করতে। আমি হয়ত যেতে পারতাম না। শেষ পর্যন্ত যেতে পেরেছিলাম মীর শামছুল আলম বাবু ভাইয়ের কারণে। বেসিক মাউন্টেনিয়ারিং কোর্সে আগে ৬০০ ডলার দিয়ে ট্রেনিং করতে হত, বাবু ভাইদের আবেদনের পর সেই ফি ২০০ ডলারে নেমে আসে। একারণেই সুযোগ পেয়েছি।

সৌভাগ্যবশত, বাংলাদেশ থেকে যে পাঁচজন গিয়েছিলাম তার মধ্যে আমিসহ দুইজন পুরো প্রশিক্ষণ শেষ করেছি। তানিমের জন্ডিস হয়েছিলো, মিলন ভাইয়ের পা মচকে যায় টাইগার হিলে (৮০০০ ফুট) যাওয়ার সময়, তারপরও মিলন ভাই বাখিম পর্যন্ত গিয়েছিল, কিন্তু পা অনেক ফুলে যাওয়ায় ডাক্তার জোর করেই তাকে ফেরত পাঠান দার্জিলিংয়ে। মাসুদ ছিলো হোমসিক, সেও মিলন ভাইয়ের সাথে ফিরে আসে। আমি আর মুঈদ দুজনই কোর্স শেষ করেছিলাম এবং আমি বেস্ট রোপ হই, মেডেল পাই। এটা খুবই উৎসাহব্যাঞ্জক ছিলো। মনে হচ্ছিলো যে দেশের জন্য কিছু নিয়ে এসেছি।


২০০৪ সালে বেসিক মাউন্টেনিয়ারিং কোর্সে ১৮০০০ ফুট উঁচু কাবরুডোম অ্যাডভান্স বেইজ ক্যাম্পে নূর মোহাম্মদ।


বেসিক মাউন্টেনিয়ারিং কোর্সে বেস্ট রোপ হওয়ায় মেডেল প্রাপ্তি।


এরপর অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের ভিতরকার যে মটো দেখে আমি এর সদস্য হয়েছিলাম, ধীরে ধীরে আমি ওই জিনিসটা মরে যেতে দেখি। আমরা পঁচিশ-ত্রিশ জন ছেলে-মেয়ে স্বপ্ন দেখতাম, এখান থেকে আমরা সমাজের জন্য কিছু করব, সারা দেশের বিজ্ঞান চেতনার বিকাশ ঘটাব–সেই আবেগটাকে মরতে দেখি। একটা সময় এসে দেখলাম আমি একাই আছি! ২০০৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত একাই কাজ করে গেছি মিলন ভাইয়ের সাথে। আমাদের আগের যে টিমটা ছিলো, সেটা আর নেই। সবাই লক্ষ্যচ্যুত হতে হতে যার যার জীবন নিয়ে একেক দিকে চলে যায়। পরে ২০০৫ সালে এসে আমিও বাধ্য হই অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন ছেড়ে দিতে।

এরপর দীর্ঘসময় আমি কোন পর্বতারোহণ কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত ছিলাম না। মাঝে মাঝে শুধু বান্দরবানে ঘুরতে যেতাম। দুইজন বন্ধু ছিল, ওদের সাথেই ঘুরতে যেতাম। ওরা একদমই পাহাড়ঘেষা না, রোমাঞ্চকর কিছু করতে পছন্দ করে না, কিন্তু তাদেরকে নিয়েই গিয়েছিলাম। বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন ছাড়ার পর আমি পল্টনে আমার বন্ধুর প্রেসে ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করি। শাহবাগ যেতাম মাঝে মাঝে, একদিন বাবু ভাইয়ের (মীর শামছুল আলম বাবু) সাথে দেখা। জানালেন, চুলু ওয়েস্টে যাওয়ার জন্য টিম গঠন করা হচ্ছে, সবাই রমনা পার্কে নিয়মিত ব্যায়াম করছে। তানিম, মুহিতসহ যারা প্রশিক্ষিত আছে সবাইকে ডাকা হচ্ছে, চাইলে তুমিও আসতে পারো। আমি বললাম অন্যদিন তো পারব না, শুক্রবার যেতে পারব। বাবু ভাই বললেন শুক্রবার আসলেই হবে। গিয়ে দেখি শম্পা, বাবু ভাইসহ অন্যান্য অনেক মেম্বারও আছে, সবাই ব্যায়াম করছে, আমিও যেয়ে ব্যায়াম চর্চা শুরু করে দেই। এভাবে চলে বেশ কয়েকদিন।

অদ্রি: এটা কি টিম এক্সট্রিম ছিল?

নূর মোহাম্মদ: না, তখন এটা টিম এক্সট্রিম ছিলো না। এটা ছিল বিএমটিসি’র উদ্যোগ।

সজল খালেদ [মোহাম্মদ খালেদ হোসেন (১৯৭৯-২০১৩)] বলেছিল, এখান থেকে যারা ভালো করবে তাদেরকে বেছে ট্রেনিং দিয়ে মাউন্টেনিয়ারিংয়ের জন্য নেওয়া হবে। আমার সৌভাগ্য ছিলো আমি আগেই ট্রেনিং নেওয়া। শম্পা ব্যায়াম করেছে ওখানে; মুসা ইব্রাহিম, এম. এ. মুহিত. ভাইও ছিলেন। তবে মুহিত ভাই মাঝে মাঝে করতেন, কারণ ওসমানী উদ্যানে ওনার আরেকজন ইন্সট্রাক্টর ‘বাসু দা’ ছিলেন-ওনার তত্ত্বাবধানে তিনি ব্যায়াম করতেন। টিমটা গঠন করার জন্য মুহিত ভাইও ওখানে আসতেন।

অদ্রি: ‘টিম’ মানে কি এখানে ‘এভারেস্ট টিম’ গঠনের কথা বলছেন?

নূর মোহাম্মদ: হ্যাঁ, ‘এভারেস্ট টিম’, মানে যারা ব্যায়াম করছে তাদের মধ্যে থেকে যোগ্য কয়েকজনকে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। আমি বেসিক ট্রেনিং করেছি ২৪১ তম ব্যাচে। ২৪০ তম ব্যাচে বেসিক ট্রেনিং করেছিল শম্পা, বাবু ভাই, মুসা আর সাগর ভাইসহ চারজন। আমার পরে মুহিত ভাই করে। মুহিত ভাই তার পরের সিজনেই আবার অ্যাডভান্স কোর্স করে ফেলেন। কিন্তু আমার বেসিকের পর আর ট্রেনিং নেয়া হয় নি। উদ্যানে বাবু ভাইয়ের ডাকেই মূলত যাই।

একদিন পরিকল্পনা করা হল আমরা হেঁটে মাওয়া যাব। মাওয়ার ঠিক আগে সজল ভাইয়ের কোন এক আত্মীয়ের বাসায় আমরা লাঞ্চ করি। ওখান থেকে হেঁটে ফিরে আসার সময় সজল ভাই বলেন যে আমরা ডিওএইচএসে একটা অফিস নিচ্ছি, ওখানে আগামীকাল একটা মিটিং হচ্ছে, আমরা চাচ্ছি আপনি আমাদের সাথে চুলু ওয়েস্ট অভিযানে যোগদান করেন। আমি বললাম ‘হ্যাঁ, কেন নয়! এই ধরণের সুযোগ পেলে কেন আমি অংশগ্রহণ করব না! অবশ্যই যাবো।’ সজল ভাই বললেন, তাহলে আগামীকাল ডিওএইচএসে আসেন, আমরা কথা বলব।

ওখানে যেয়ে ভালো-খারাপ দুই ধরণের অভিজ্ঞতা হয় আমার। আমি বিএমটিসির মেম্বার হই। এরপর শুনি, যেহেতু বাবু ভাই প্রশিক্ষণের সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকত, সজলের তত্ত্বাবধানে ব্যায়াম করত না, এই কারণে বাবু ভাইকে বাদ দেওয়া হয় আর আমাকে সে জায়গায় নেওয়া হয়।

অদ্রি: এই চুলু ওয়েস্ট অভিযানের পরিকল্পনা কি বিএমটিসি থেকে নেয়া হচ্ছিল?

নূর মোহাম্মদ: হ্যাঁ।

অদ্রি: তখন বিএমটিসির প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?

নূর মোহাম্মদ: ইনাম ভাই।

অদ্রি: তাহলে, সেদিন আপনাকে দলে টেনে নেওয়া হয় আর বাবু ভাইকে অপসারণ করা হয়, যার কারণ ছিল  সজল খালেদের অধীনে উনি ব্যায়ামের অনুশীলন করতেন না?

নূর মোহাম্মদ: হ্যাঁ। আসলে এটাও ঠিক, যে দলের মধ্যে প্রত্যেকের প্রতি আস্থা তৈরির জন্য একসাথে ব্যায়াম করা, একসাথে সময় কাটানো জরুরি। যেহেতু এ ধরনের একটা গ্যাপ তৈরি হচ্ছে, তাই এই সিধান্ত। তখন সিদ্ধান্তগুলো সজল ভাই আর মুসা দু’জন মিলেমিশে নিতেন। এর পূর্বে দুইজনে ফ্রে পিক অভিযান একসাথে করে এসেছে, তাই সেই সময়টায় এই দুজনের মধ্যে বন্ধনটাও ভাল ছিল।

(অসমাপ্ত)


আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে পর্বতারোহণ যুগের সূচনা 

(Visited 1 times, 1 visits today)
অদ্রি সম্পাদক
অদ্রি সম্পাদক
সম্পাদকরাও একেকজন পাঠক।

One thought on “নূর মোহাম্মদের সাক্ষাৎকার (পর্ব ১)

  1. পর্ব ২ কবে আসবে, ধন্যবাদ সুন্দর এই সাক্ষাৎকার এর জন্য। নূর ভাই আমাদের জন্য ইন্সপিরেশন।

মন্তব্য করুন

*Please Be Cool About Captcha. It's Fun! :)