পথ পরিক্রমা: জ্যুকো উপত্যকা ট্রেক


ইংরেজিতে ‘Picturesque’ বলে একটা শব্দ আছে। যার অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘চিত্রানুগ’। জ্যুকো উপত্যকাকে প্রথম দেখায় সেই শব্দটাই মাথায় আসবে। ছবির মতোই সাজানো এই জ্যুকো উপত্যকা নাগাল্যান্ডে অবস্থিত এক মনোরম অঞ্চল। অঞ্চল না বলে উপত্যকা বলাই ভালো। ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত এই উপত্যকাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪৩৮ মিটার বা প্রায় আট হাজার ফিট উচ্চতায় অবস্থিত। নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমা থেকে দক্ষিণে প্রায় ৩০ কিমি দূরে অবস্থিত এই উপত্যকার এক উল্লেখযোগ্য অংশ পড়েছে মনিপুর রাজ্যে। জ্যুকো উপত্যকার ভৌগোলিক মালিকানা নিয়ে তাই দুই রাজ্যের মধ্যে এক প্রকার বিরোধ আছে।

স্থানীয় নাগাদের মতে আঙ্গামি ভাষার একটি উপভাষায় জ্যু-কো শব্দের অর্থ হচ্ছে নিষ্প্রাণ ও শুষ্ক। প্রাচীনকালে ভিসওয়েমা গ্রামের কিছু লোক এই উপত্যকায় নতুন করে বসতি স্থাপন করতে চেয়েছিল। কিন্তু এই উপত্যকার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এখানে ফসল ফলাতে পারেনি। সেখান থেকেই এসেছে, জ্যু-কো উপত্যকা; অনেক সুন্দর কিন্তু নিষ্প্রাণ ও শুষ্ক।

জ্যুকো উপত্যকার নাম নিয়ে একটি সাধারণ ভুল ধারণা হল, স্থানীয় ভাষায় জ্যুকো শব্দের অর্থ ‘ঠাণ্ডা পানি’। অর্থাৎ ঠাণ্ডা পানির এই নদী উপত্যকা ভেদ করে বয়ে যাওয়ায় এর নাম হয়েছে জ্যুকোভ্যালি বা জ্যুকো উপত্যকা। তবে এখন জ্যুকো আর জাপফু নামের দুটো শীতল পানির প্রস্রবণ আছে এখানে।

চিত্তাকর্ষক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ আর প্রাণীকুল জ্যুকোকে করেছে বৈশিষ্টমণ্ডিত। ট্রপিক্যাল রেইনফরেস্টের মেঘে ঢাকা গহীন পাহাড়ি আঁকাবাঁকা ট্রেইল আর পদে পদে অ্যাডভেঞ্চারের গন্ধে তাই প্রতি বছরই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ট্যুরিস্ট আর ব্যাকপ্যাকাররা ছুটে আসে এখানে।

বর্ষার জ্যুকো অতুলনীয়। বিস্তৃত উপত্যকা ধরে হেঁটে চলা, স্বচ্ছ প্রাণবন্ত জলের কুলকুল ধ্বনি, নিবিড় অরণ্যে লকলকিয়ে বেড়ে ওঠা শ্যামল সবুজ বৃক্ষপল্লব আর ঠাসবুনটের মতো পাহাড়ি জংলি ফুল কিংবা থেকে থেকে বিচিত্র পাখির ধ্বনি আর সুরতান, নিস্তব্ধতা, অবাক করা নীরবতা, একাকীত্ব পুরোপুরি ভাবেই শহুরে হুড়োহুড়ি-ব্যস্ততা আর হৈচৈ-গোলমেলে জীবন থেকে মুক্তি দিয়ে স্বর্গীয় সুখের সন্ধান দিবে। মেঘে ঢাকা পড়া ভোরের উপত্যকা কিংবা সূর্যাস্তের সময়কার রূপ সব যন্ত্রণাদায়ক ক্লান্তি এক নিমিষেই দূর করে দিবে।


মৌসুম

রঙবেরঙের ফুলেল কার্পেটে ঢেকে থাকা এই উপত্যকার মূল সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় বর্ষার শুরুতে। জ্যুকো উপত্যকায় ট্রেক করার জন্য জুন-জুলাই মাস সবচেয়ে সেরা সময়। এ সময়টায় বিভিন্ন রকমের পাহাড়ি রডোড্রেন্ডন, ইউফোরবিয়া আর জ্যুকো লিলির দেখা মিলবে ট্রেক রুট আর সমস্ত উপত্যকা জুড়ে। বিখ্যাত জ্যুকো লিলি শুধুমাত্র মূল উপত্যকাতেই চোখে পড়ে। বন্য ফুলের রঙে রাঙ্গানো স্বর্গীয় সৌন্দর্যমণ্ডিত এ উপত্যকার দিকে তখন সম্মোহিত হয়ে চেয়ে থাকতে হয়। তাই উত্তর-পূর্বের ‘ভ্যালী অফ ফ্লাওয়ার’ তকমাটা তাই কোনোভাবেই অযৌক্তিক নয় শৈলপাহাড়ে ঘেরা এই বিস্ময়কর উপত্যকার জন্য।

বর্ষাকাল ছাড়াও অন্য সময়ে জ্যুকো উপত্যকা ট্রেক করা যায়। আর সেসময়ও এর সৌন্দর্য কোন অংশেই কম নয়!


দিনপঞ্জী

দিন [০] রাতের বাসে ঢাকা থেকে সিলেট।

দিন [১] ভোরে কদমতলি নেমে তামাবিল যাত্রা, সীমান্ত পার করে রাতের মধ্যে আসামের গৌহাটি। ডিমাপুরের ট্রেনে আরোহণ।

দিন [২] ভোরে ডিমাপুর নেমে কোহিমার উদ্দেশে যাত্রা। কোহিমা পৌঁছে আশেপাশে ভ্রমণ।

দিন [৩] ভোরে জ্যুকো উপত্যকার উদ্দেশে যাত্রা। ট্রেক করে জ্যুকো উপত্যকায় রাত্রীযাপন।

দিন [৪] সকালে উঠে ফিরতি পথ। দুপুরে কোহিমা হয়ে রাতের মধ্যেই ডিমাপুর। গৌহাটির ট্রেনে আরোহণ।

দিন [৫] ভোরে গৌহাটি নেমে শহর চক্কর দিয়ে বাসে করে শিলং। শিলং থেকে শেয়ার্ড ট্যাক্সিতে ডাউকি। চাইলে গৌহাটিতে বিখ্যাত কামরূপ কামাখ্যা মন্দির দর্শন করে ১১ টার মধ্যে রিজার্ভ অল্টো গাড়িতে ডাউকি যাত্রা করলেও বিকালে সীমান্ত পারাপার করা সম্ভব। রাতের বাসে ঢাকা।

দিন [৬] ভোরে ঢাকা।


যাতায়াত

  • ঢাকা থেকে রাতের বাসে বা ট্রেনে সিলেট যেতে হবে। বাসে গেলে ঢাকা থেকে সিলেট নন-এসি  ৪৭০ টাকা ও এসি ১২০০ টাকা ভাড়া। সিলেট নেমে জাফলংগামী বাসে তামাবিল বর্ডার, পড়বে ৬০ টাকা।
  • বর্ডার ক্রস করে সোজা চেপে বসুন ডাউকি টু গৌহাটির শেয়ার্ড ট্যাক্সিতে অথবা রিজার্ভ করে নিন গৌহাটি রেলস্টেশনের উদ্দেশে। চারজনের ‘অল্টো’ রিজার্ভ ভাড়া ৩০০০/৩৫০০ রুপি নিবে।
  • গৌহাটি রেলস্টেশন থেকে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিলাপ করে নাগাল্যান্ডের শহর ডিমাপুরের টিকেট কেটে নিবেন। প্রতিদিন রাত ১১:৩৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়া ‘নাগাল্যান্ড এক্সপ্রেসে’র নন-এসি থ্রি টায়ার স্লীপার ক্লাস ১৬৫ রুপি আর জেনারেল ৯০ রুপি করে টিকেট পাওয়া যায়। একটু আরাম করে যেতে চাইলে স্লিপারে যাওয়াই ভাল। চাইলে এসি টু টায়ার/থ্রি টায়ারও কাটতে পারেন ৫০০-৭০০ রুপিতে।
  • ডিমাপুর পৌঁছে ভোরে স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি পাবেন কোহিমা যাওয়ার জন্য। রিজার্ভ ১১০০/১২০০ রুপি নিবে ফোরসিটার অল্টো। সুমো মিলবে লোকাল ২৫০ রুপি করে আর বাস ১০০ রুপি। ডিমাপুর টু কোহিমার রাস্তা খুব বাজে। ৭৫ কিলোর মতো রাস্তা প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা লেগে যায়।
  • শিলং থেকে সরাসরি কোহিমা যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ডাউকি থেকে প্রথমে শিলং যাবেন। ফোরসিটার গাড়ি রিজার্ভ নিলে ১৫০০/১৮০০ রুপি পড়বে। লোকাল শেয়ার্ড জিপে জনপ্রতি ১৫০ রুপি করে পড়বে। শিলং থেকে কোহিমার বাস আছে ৭০০ রুপি করে। ১২০০ রুপি করে শেয়ার্ড সুমো টাইপের গাড়ি বা টয়োটা ইনোভা আছে। শিলং থেকে সোজা নাগাল্যান্ডের কোহিমা শহরে পৌঁছে যেতে পারেন। তবে শিলং থেকে লোকাল বাসে কোহিমা পর্যন্ত যেতে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ ঘন্টা সময় লেগে যায়। বেশির ভাগ বাসই কোহিমা পর্যন্ত না গিয়ে ডিমাপুর নামিয়ে দেয়। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে আবার একই উপায়ে ডিমাপুর থেকে কোহিমা আসতে হবে। আর শিলং থেকে গৌহাটি যাবেন। ফোরসিটার রিজার্ভ ১৩০০/১৫০০ রুপি নিবে। লোকাল সুমো ২৫০ রুপি। বাস ১৫০ রুপি।

কোহিমাতে ট্যাক্সিস্ট্যাণ্ডের পাশেই হোটেল গ্যালাক্সিতে থাকতে পারেন। প্রতিরাত ৪ জন ১০০০ রুপি পড়বে। রিসেপশনিস্ট হিসেবে এক বাঙালি ছেলে সেখানে কাজ করে। খুব মিশুক, সব বিষয়েই তার সাহায্য পাবেন।

রাতটা কোহিমায় কাটিয়ে পরদিন ভোরে জ্যুকো উপত্যকার উদ্দেশে বেড়িয়ে পড়তে হবে।


কোহিমা থেকে জ্যুকো যাওয়ার পথসমূহ

নাগাল্যান্ডের রাজধানী শহর কোহিমা থেকে জ্যুকোভ্যালিতে প্রবেশ করা যায় দু’টো ট্রেক পয়েন্ট দিয়ে। এদের একটা ভিসেমা ভিলেজে আরেকটা জাখামা ভিলেজে। কোহিমা থেকে রওনা দিলে জাখামা ভিলেজই আগে পরে। তারপর ভিসেমা। তবে ভিসেমা রুটটা  সহজতর হওয়ায় ওটাই সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেকারদের কাছে। কিন্তু সময় লেগে যায় প্রায় ৭ থেকে ৯ ঘন্টার মত। আর জাখামা সাইডের ট্রেইলটা একদম খাড়া হওয়ায় ট্রেক করা কষ্টকর। তবে খাড়া হওয়ায় সময়ও কমে যায়। প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মতো লাগে এই ট্রেইলে। শর্টকাট হিসেবে এ ট্রেইলটা তাই স্থানীয়রাই বেশি ব্যবহার করে। সময়ের হিসাবটা অবশ্য মানুষজনের ট্রেকিংয়ের উপর নির্ভর করে।

কোহিমা থেকে ট্রেক পয়েন্ট পর্যন্ত গাড়ি রিজার্ভ করা যায়। ফোরসিটার ট্যাক্সি ৭০০/১০০০ রুপি নিবে । লোকাল গাড়িও আছে। শহরের বিওসি স্ট্যান্ড থেকে লোকাল সুমো মিলবে জাখামা পর্যন্ত ৪০ রুপিতে আর ভিসেমা গেলে ৫০/৬০ রুপিতে। সেখান থেকে ট্রেক করে জ্যুকো যেতে হবে। গাইডের দরকার পড়ে না। তবে গাইড নিতে চাইলে প্রতিদিনের জন্য ১০০০ রুপি করে গাইডকে দিতে হবে। জ্যুকো পৌঁছে এন্ট্রি ফি দিতে হয় জনপ্রতি ১০০ রুপি।


জ্যুকো উপত্যকায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

ট্রেকিংয়ের জন্য জনপ্রিয় আর আদর্শ এই উপত্যকায় রাতে থাকার ব্যবস্থাও আছে। নাগাল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে এখানে দুটো ডরমেটরির ব্যবস্থা আছে। এগুলোয় ফ্লোরিং করে মাথা গোঁজার পাশাপাশি চাইলে দু’বেলা পেটপুজোর বন্দ্যোবস্তও করে দেয় ওরা। ডরমেটরিতে ফ্লোরিং করে থাকার জন্যও প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়া উচিত। কিছু রুপির বিনিময়ে ওখানে ফোম ম্যাট্রেস, বালিশ, কম্বল মিলবে কিন্তু রাতের বেলা মেঘে ঢাকা এই উপত্যকার ভয়ানক ঠাণ্ডাকে টেক্কা দেওয়ার জন্য শীতের পোষাক সাথে নিয়ে যাওয়াটা জরুরি। এছাড়া ভি আই পি ক্যাটাগরির ডর্মও আছে। সেগুলোতে চৌকি ধরনের চারপেয়ে খাট পাতা আছে। একরুমে সর্বোচ্চ দশ জনের মতো থাকা যায়। ফ্লোরিং ডর্ম ফি ৫০ রুপি জনপ্রতি। ভি আই পি ডর্মে থাকলে ১৫০ রুপি। বালিশ, ম্যাট্রেস, কম্বল প্রতি পিস ৫০ রুপি।

দুপুর ও রাতে ২০০ রুপিতে নিরামিশ খাবার পাওয়া যায়। নুডুলস ৬০ রুপি। ডিম সেদ্ধ ৩০ রুপি। চা ২০ রুপি, কফি ৫০ রুপি। চাইলে আমাদের মতো খাবারদাবার সাথে করে নিয়ে যেতে পারেন। এতে খরচ অনেকটাই কমে যাবে।

জ্যুকোর মূল উপত্যকায় তাঁবু খাটিয়ে ক্যাম্পিং করেও থাকা যায়। সবসময় অবশ্য তাঁবু ভাড়া পাওয়া যায় না আর ভাড়া নিলেও খরচ অনেক পড়ে যায়। একরাত তাঁবু ভাড়া নিয়ে থাকতে গেলে তাঁবুপ্রতি খরচ পড়বে ৩ থেকে ৪ হাজার রুপির মতো। ৩/৪ জন থাকা যায় এক তাঁবুতে। খাবার দাবার আর ক্যাম্পিং গিয়ার্স সবই ওরা দিবে এই খরচে। নিজেদের তাঁবু, ক্যাম্পিং গিয়ার আর রান্নাবান্নার রসদ নিজেদের নিয়ে যাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো উপায়।


নাগাল্যান্ডে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

  • বাংলাদেশীদের জন্য নাগাল্যান্ডে প্রবেশের নিয়ম হচ্ছে নাগাল্যান্ডে পৌঁছানোর পর থানা থেকে এফআরও এন্ট্রি করে নেওয়া। কোহিমা এস.পি অফিস, ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাসপোর্ট নিয়ে গেলেই সেখানে তারা এন্ট্রি করে দিবে।
  • রোববার দিন নাগাল্যান্ডের সব কিছু বন্ধ থাকে। গাড়িঘোড়া সব বন্ধ করে ওরা ছুটি কাটায় এই একদিন। তাই আপনার ট্রিপ প্ল্যানে যদি রবিবার পড়েই যায় তবে আগের থেকেই কোন ট্যাক্সি ড্রাইভারের নাম্বার জোগাড় করে কথা বলে রাখুন। নয়তো মুশকিলে পড়তে হবে।
  • কোহিমা শহর সন্ধ্যা ছয়টা-সাতটার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ে। দোকানপাট সব ছয়টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। তাই খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারটা আগেভাগে সেরে না রাখলে শেষে উপোস থেকে রাত পার করতে হতে পারে!
  • নাগাল্যান্ডের মানুষজনের খাদ্যাভাসের সাথে আমাদের খাদ্যাভাস মিলবে না এটাই স্বাভাবিক। প্রায় প্রতিটি রেস্ট্যুরেন্টেই পর্ক আর ডগের কারি পাওয়া যায়। কিন্তু বাঙালী খাবার বা ইন্ডিয়ান হালাল, ভেজ/ননভেজ থালি পেতে হলে একটু খুঁজতে হবে। আর নইলে কারো কাছে বাঙালী হোটেলের খোঁজ জানতে চাইলেই হবে। ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে একটু হেঁটে ওয়্যার সিমেট্রির দিকে যেতে হাতের বামে আর. কে. হোটেলে বাঙালী খাবার পাবেন ৫০-১৫০ রুপিতে। রান্না ভালই।

আরো যা দেখতে পারেন

 চাইলে কোহিমাতে আরেকদিন বাড়িয়ে কিসামা হেরিটেজ ভিলেজ, খোনোমা গেট, মিউজিয়াম এসব দেখতে পারেন।

প্রতি বছর ১লা-১০ই ডিসেম্বর বিখ্যাত হর্নবিল উৎসব হয়। তখন গেলে ইতিহাস আর ঐতিহ্যে ভরা অনেক অনুষ্ঠান দেখা যায়। তবে তখন সব কিছুর দাম থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে আর হোটেল ট্যাক্সি সব দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠে। তাই ওই সময় প্ল্যান করলে অবশ্যই ৩/৪ মাস আগেই হোটেল ট্যাক্সি এসব বুকড করে রাখতে হবে।

(Visited 1 times, 1 visits today)
মুহাম্মাদ শাফিউল ইসলাম
মুহাম্মাদ শাফিউল ইসলাম
নিঃসঙ্গ পরিব্রাজক

২ thoughts on “পথ পরিক্রমা: জ্যুকো উপত্যকা ট্রেক

  1. ভাই, আপনার ছবিগুলো অসম্ভব সুন্দর হইছে,
    বাট একটা জিনিস খুব জানতে চাচ্ছি,
    একই ফ্রেমের ৪টা ছবি আলাদা করে
    কিভাবে তুল্লেন?
    একটু এক্সপ্লেইন করলে খুশী হব, ভাই

মন্তব্য করুন

*Please Be Cool About Captcha. It's Fun! :)