জোঁকের সাতকাহণ


বর্ষাকাল চলছে। এই সময়ে আমাদের পাহাড়গুলো অপরূপ সাজে নিজেকে মেলে ধরে। ঝিরি-জলপ্রপাত-খালগুলো পানির কলকল শব্দে মুখর হয়ে উঠে, জলপ্রপাতগুলো নবযৌবনে উচ্ছাসিত হয়ে উঠে, বর্ষার পানি পেয়ে গাছে গাছে কচি সবুজ পাতা ছেয়ে যায়, পাহাড়ের ঢালে ঢালে মেঘ এসে মুহূর্তেই ভিজিয়ে দেয় ক্লান্ত দেহ। তাই এটাই আমাদের পাহাড়গুলোতে ট্রেকিং ও হাইকিংয়ের আদর্শ মৌসুম। এ মৌসুমে পাহাড় যেমন শত সৌন্দর্যের আধার হয়ে ধরা দেয় তেমনি এই মৌসুমেই জোঁকের মত বিষয়গুলো ট্রেকিং ও হাইকিংয়ের মুহূর্তগুলো উপভোগের সময় কিছুটা হলেও উপদ্রবের মত মনে হয়। আর অফট্রেইলে হাঁটলে তো কথাই নেই।

জোঁকের বিষয়ে লিখতে গিয়ে আমার ছয় সাত বছর আগের একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। সেবার আমি আর মইনুল ভাই প্রায় মাস খানেক ধরে বাকতলাই থেকে শুরু করে রেমাক্রির আপার স্ট্রিমের সবগুলো ঝিরিতে অনুসন্ধানী অভিযান চালাচ্ছিলাম। সেবারই ফাইপি, তার তে, তার পি সহ বেশ অনেকগুলো জলপ্রপাতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখন অগাস্ট মাস ছিল। বর্ষার প্রায় শেষের দিকে কিন্তু তবুও প্রতিদিন বিকেল বেলা নিয়ম করে পাহাড়ে বৃষ্টি হত। পুরো অভিযানেই জোঁক আমাদের খুব জ্বালিয়েছে। কিন্তু একদিন সেই উপদ্রব খুব বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে গিয়েছিল। সেদিন আমরা রেমাক্রি খাল থেকে শিলোপি পাড়া থেকে নেমে আসা ঝিরি ধরে সেটার আপস্ট্রিমে ট্রেক করছিলাম। পথিমধ্যেই একটি গ্রীন ভাইপার দেখে আমরা থমকে দাঁড়াই। এত সুন্দর একটা সাপ দেখে সেখানেই আমাদের মূল্যবান অনেকগুলো সময় চলে যায়।

এদিকে কখন যে বিকেল গড়িয়ে বর্ষার মেঘগুলো ঘন হয়ে এসেছে অন্ধকার ঝিরিতে আমরা খেয়াল করিনি। হুট করেই শুরু হল ঝুম বৃষ্টি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝিরির পানি অনেক বেড়ে গেল। হড়কাবানের আশংকায় আমরা ঝিড়ি ছেড়ে পাশের পাহাড়ে উঠে যাই। ভেবেছিলাম কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বৃষ্টি থেমে গেলে আবার ঝিরিতে নামা যাবে। কিন্তু উপরে উঠে আকাশের অবস্থা দেখে সেই চিন্তা মাথা থেকে চলে গেল। আমরা পাড়ায় ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম। এদিকে আবার ব্যাকট্রেক করে ঝিরি ধরে নেমে আবার পাড়ার রাস্তা ধরার আমাদের কাছে অসম্ভব এক কাজ মনে হল। পাড়াতেই চলে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম। আমাদের ভাগ্য খারাপ ছিল নাকি দুই বছর আগের সেই জুমে বসতবাড়ি বানানো জোঁক গুলোর ভাগ্য ভালো ছিল সেটা বলা মুশকিল। যারাই পুরনো জুমের মধ্য দিয়ে ট্রেক করেছেন তারাই জানবেন কাজটা কতটা কষ্টকর আর বিরক্তকর। কিছুক্ষণ পর পর রাস্তা নাই হয়ে যায়। দুই কদম হাঁটলেই পা লতায় জড়িয়ে যায়। এর মধ্যে বর্ষাকাল মাথার উপর ঝুম বৃষ্টি, তার উপর পরে আছি হাফ প্যান্ট; একেবারে সোনায় সোহাগা অবস্থা যাকে বলে। একবার আমার পায়ের দিকে তাকিয়ে মনে হল দুই পায়ের হাঁটু পর্যন্ত কালো কালো জোঁকের লাইন বেঁধে হাট বসেছে। থেমে একটা দুটা জোঁক ছাঁড়াতে একটু ঝুঁকতেই দেখি হাতে ঘাড়েও জোঁক এসে ধরছে। মইনুল ভাই ওদিকে ভো দৌড় দিয়েছে। আমার দিকে তাকিয়ে শুধু বলল, ‘এক মুহূর্ত দাঁড়ায়ো না। যেভাবে পারো শুধু দৌঁড়াও।’

আমিও দৌঁড়ানো শুরু করলাম। লতায় পেঁচিয়ে পড়ে যাচ্ছি তাও কোন রকমে উঠে আবার দৌঁড়াচ্ছি। পথ-ঘাট, রাস্তা কিছু দেখছি না। মোটামোটি একটা পরিষ্কার জায়গায় পৌঁছে হাঁপরের মত হাঁপাতে হাঁপাতে দুইজন এক এক করে জোঁক ছাড়াতে লাগলাম। দুইজনের পা থেকে তখন রক্তগঙ্গা বইছে। হাত পায়ের জোঁক ছাড়িয়ে মইনুল ভাই তার টিশার্ট খুলে আমাকে পিঠ দেখাতেই চমকে উঠলাম। কমপক্ষে শখানেক জোঁক তার পিঠ কামড়ে ধরে আছে। এক এক করে ছাড়ানো সম্ভব না দেখে হাতের দা দিয়ে চেঁছে সবগুলো জোঁক ছাঁড়ালাম। এরপর আমার পিঠ থেকেও এভাবেই জোঁক ছাড়িয়ে দিলেন মইনুল ভাই। বলাই বাহুল্য প্যান্টের নিচ থেকেও আপত্তিকর জায়গা থেকে একই পরিমানে জোঁক বের করেছিলাম। সেদিন খুবই ভয় পেয়েছিলাম, যদি এক দুটা জোঁক পথভ্রষ্ট হয়ে কোন অন্ধকার প্রকোষ্ঠে চলে যায়!
ঠাণ্ডা ও তুলতুলে শরীরের জোঁক এনিলিডা পর্বের হিরুডিনিয়া উপশ্রেণির একটি অমেরুদণ্ডী জীব। এরা সাধারণত ভেজা, অন্ধকারাচ্ছন্ন ও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় বাস করে। এরা মাটিরি নিচে থেকে শুরু করে, ঘন বন জঙ্গল, লতা পাতায় এবং ডালেও থাকতে পারে। কিছু কিছু প্রজাতি আবার পানিতেও থাকে। হিমালয়ে প্রায় ৪০০০ ফিট উচ্চতা পর্যন্ত এদের উপস্থিতি পাওয়া যায়। জোঁকের ৩২টি মস্তিষ্ক, ৫ জোড়া চোখ এবং ৩০০টি দাঁত আছে। অনেকেই মনে করেন জোঁক উড়তে পারে, তাদের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। অনেকে এটাও মনে করেন জোঁককে দুইভাগে কেটে ফেললে প্রতিটি আবার আলাদাভাবে জীবিত হয়ে উঠে, এই ধারণাটিও সঠিক নয়।


নিজেই তৈরি করুন পেনি স্টোভ


জোঁক তাপমাত্রা ও কম্পনের প্রতি সংবেদনশীন। মানুষসহ গরম রক্তের কোন প্রাণী তার পাশে দিয়ে গেলেই চুপচাপ তার শরীরের সাথে লেগে যাবে। এরপর তাদের অসংখ্য দাঁত দিয়ে শরীরে ছিদ্র করে হিরুডিন নামক একটি এনজাইম নির্গত করে দিয়ে চোষকের মাধ্যমে রক্ত খেতে থাকবে। এই কাজটি তারা এতটাই দক্ষতার সাথে করে যে মানুষও একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের অস্তিত্ব বুঝে উঠতে পারে না।

জোঁক সাধারণত ক্ষতিকর প্রাণী নয়। জোঁক শরীর থেকে রক্ত খেলে তেমন কোন ক্ষতি হয় না বললেই চলে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে জোঁক কোন প্রাণী থেকে রক্ত খেলে তার শরীরের জীবানু জোঁকের শরীরেও কয়েকমাস পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। সেই জোঁক যদি পরে সুস্থ কোন শরীর থেকে রক্ত খায় সেই অবস্থায় জোঁকের শরীরের থাকা সক্রিয় জীবানু দ্বারা সুস্থ লোকটি সংক্রমিত হতে পারে।

এছাড়া জোঁকের কামড় দেয়া জায়গায় অনেক সময়ই অনেকের একজিমা জাতীয় অন্যান্য চর্মরোগ হতে দেখা যায়। কিন্তু এই ধরনের সমস্যা খুবই কম হতে দেখা যায়।

জোঁক থেকে বাঁচার সবচেয়ে সহজ উপায় হল জোঁক যেন ধরতে না পারে সেটার ব্যবস্থা নেয়া। নিচে কয়েকটি উপায় বলা হল:

[১] আমাদের দলের মধ্যে জোঁককে একেকজন একেক রকমভাবে ট্যাকল করে। আকাশ ভাইকে যেমন দেখেছি লম্বা মুজার উপর আর্মিদের কাপড়ের বুটগুলো পরে, পায়ের মোটা গ্যাভারটিনের ফুল প্যান্টটিকে ভালমত মুজার ভিতরে ঢুকিয়ে আচ্ছাসে টাইট করে বাঁধেন। মুজার ভিতর থেকে যেন প্যান্ট বেড়িয়ে না যায় তাই মুজার উপর মাঝে মাঝে গাটার ও ব্যবহার করেন। সবসময় ফুলস্লিভ পরে ট্রেক করা আকাশ ভাই তাঁর টিশার্টটিকে প্যান্টের ভিতর গুঁজে দিয়ে টাইট করে বেল্ট বেঁধে হাঁটার জন্য রেডি হন। জোঁকের বিরুদ্ধে উনার এই প্রস্তুতি এক দেখার মত দৃশ্য। বলাই বাহুল্য উনি দলের মধ্যে কম জোঁকের সংস্পর্শে আসেন। হাফ প্যান্ট পরে ট্রেক করা আমার চাইতে এটলিস্ট কম জোঁক উনাকে ধরে। বিদেশে অনেকেই আবার ট্রেইল গেইটারের মত শক্ত কাপড় দিয়ে তৈরি একটা বিশেষ মুজা ব্যবহার করেন। আবার অনেকে লম্বা স্টকিংও ব্যবহার করেন। মোদ্দা কথা হচ্ছে জোঁক যেন সহজে আমাদের শরীরের স্পর্শ না পায় সেটা নিশ্চিত করা।

[২] অনেকের ধারণা দলের মধ্যে প্রথম যে ট্রেক করে তাকে সবচাইতে বেশি জোঁক ধরে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা একটু ভিন্ন রকম। দলের সামনে যে থাকে সে গট গট করে চলে গেলে তার উত্তাপ আর কম্পন শুনে দূরদূরান্ত থেকে জোঁক কাছে আসতে থাকে, এরপর মাঝে যারা থাকে তারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন আর সবার শেষের জন তূলনামূলক কম জোঁকের উপদ্রবের শিকার হন। আবার দলে সবাই একটু পর পর জোঁক ধরল কিনা সেটা দেখার জন্য থামলে সেই সময়ই বেশি জোঁক ধরে। তাই আমরা একটা নিয়ম অনুসরণ করি, জোঁকের উপদ্রব আছে বা থাকতে পারে এমন এলাকা আমরা দ্রুত একজনের পর একজন একটু গ্যাপ রেখে অতিক্রম করে এগিয়ে যাই। কেউ যদি জোঁক ধরেছে কিনা দেখার জন্য থামলেও যেন পিছনের জনকে তার জন্য দাঁড়িয়ে পড়তে না হয় এমনভাবে।


একটি জনপ্রিয় ছবির গল্প


[৩] জোঁক উপদ্রব অঞ্চলগুলো অতিক্রম করার সময় একটি বোতলে লবন পানি সাথে রাখা যেতে পারে। জোঁক ধরলে বা কিছুক্ষণ পর পর বোতল থেকে পায়ে লবন পানি ঢেলে জোঁক ধরা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

[৪] জোঁক তামাকে গন্ধ সহ্য করতে পারে না। তাই তামাক পাতা ঘন করে নারিকেল তেলে গুলিয়ে নিয়ে একটি পেস্টের মত তৈরি করে পায়ে মেখে ট্রেক করলে জোঁক কম ধরে। মুজা ব্যবহার করলে তামাকের দ্রবণ মুজায় ভিজিয়ে ট্রেক করা যেতে পারে। একইভাবে অডোমসের মত ইনসেক্ট রেপেলেন্ট ক্রিম ও ডেটল ব্যবহার করেও অনেকে উপকার পেয়েছেন।

[৫] অনেকেই পথের মধ্যে জোঁক ধরেছে কিনা সেটা খেয়াল করতে চান না। তারা রক্ত দান কর্মসূচিতে বিশ্বাস করেন আর বিশ্বাস করেন রক্ত খাওয়া শেষে আপনা আপনি জোঁক ছেড়ে দিবে। এর জন্য এত কষ্ট করে কে।


শরীর থেকে জোঁক ছাড়ানোর উপায়

[১] জোঁক ছাড়ানোর জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে হাতের দুই আঙ্গুল দিয়ে জোঁকের মুখের কাছে ধরে চোষকটাকে আলাদা করে ফেলা। এরপর জোঁকটাকে মেরে ফেলা বা দূরে ফেলা দেয়া।

[২] অনেকেই হাতে সার্জিকেল কাজে ব্যবহার করা ছোট কাঁচি সাথে রাখেন। যখনই জোঁক ধরে হাট দিয়ে টেনে জোঁক ছাড়ানোর বদলে তারা কাঁচি দিয়ে জোঁকের দেহের মাঝ বরাবর কেটে দেন।

[৩] লবন, তামাক, আগুনের ছ্যাঁকা, কার্বোনেটেড পানীয়, ডেটলের মত পদার্থ জোঁকের উপর ঢেলে দিলে জোঁক সহজেই ছেড়ে দেয়। কিন্তু ডাক্তাররা এইভাবে জোঁক সরানোর পক্ষে মত দেন না। কারণ এইভাবে জোঁক ছাড়ালে জোঁকের ভিতরের সবকিছু মানব শরীরের ভিতরে উগলে দেয়ার আশংকা থাকে।


জোঁক কামড় দেয়ার সাথে সাথে তার শরীর থেকে হিরুডিন নামক এক এন্টি কোয়াগুলেন্ট মানুষের দেহে নির্গত করে। এর ফলে রক্ত সহজে জমাট বেঁধে যায় না। তাই জোঁক কামড়ালে বেশ কিছুক্ষণ রক্ত পড়তে পারে। এইক্ষেত্রে কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে:

[১] ক্ষতস্থানটি ভালভাবে পানি ও ডেটল বা আয়োডিনের মত জীবানূনাশক পদার্থ  দিয়ে ভালভাবে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

[২] ক্ষতস্থান কিছুক্ষণ চাপ দিয়ে রাখলে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়।

[৩] আমাদের পাহাড়ে চাষ করা কার্পাস তুলা এইক্ষেত্রে জাদুর মত কাজ করে। পরিষ্কার করা ক্ষতস্থানে কার্পাস তুলা কিছুক্ষণ চাপ দিয়ে রাখলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
জোঁকের কামড়ের ক্ষত বেশিদিন পুরনো হয়ে গেলে সেটা থেকে চামড়ার অন্যান্য রোগ বিশেষ করে একজিমা হয়ে যেতে পারে। যাদের চামড়া অতিসিংবেদনশীল তাদের ক্ষেত্রেই সাধারণত এই গুরুতর ব্যাপারগুলো দেখা যায়। নানা কারণে এমনটা হতে পারে, যেমন:

[১] রোদ, ধুলাবালি, কাপড়ের ঘষা লাগা

[২] ক্ষতস্থান চুলকানো

[৩] ক্ষতস্থানে রোগজীবানূবাহী মাছি বসলে


এ রোগের কিছু লক্ষণ হচ্ছে

[১] ক্ষতস্থানের চারপাশে লালচে দাগ বা র‍্যাশ হওয়া

[২] অতিরিক্ত চুলকানি

[৩] পুঁজের মত পানি জমে যাওয়া

[৪] ব্যথা করা


চিকিৎসা

[১] প্রথমকাজ হচ্ছে ক্ষতস্থান একেবারেই না চুলকানো

[২] সিটাফিল জাতীয় মেডিকেটেড ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করা

[৩] নিমের তেল, অলিভ ওয়েল, এলোভেরা তেল ব্যবহার করা যেতে পারে

[৪] ক্ষতস্থান খুব বেশি চুলকালে ডাক্তারের পরামর্শে এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে বা কোট্রিমাজল জাতীয় ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।


শেষ করার আগে একটি টিপস

অফ ট্রেইলের ট্রেক করতে গেলে অনেক সময় আমাদের জামা কাপড়ে বা ব্যাকপ্যাকের সাথে জোঁক লেগে থাকে। তাই তাবু হোক বা পাড়ার ঘর ট্রেক শেষে আশ্রয়স্থলে ঢোকার আগে খুব ভালমত জামা কাপড় খুলে, পালটিয়ে ব্যাকপ্যাক ভালমত পর্যবক্ষেণ করে তবেই আশ্রয়ে প্রবেশ করা উচিত। নতুবা আমাদের মত মাঝরাতে কানের লতিতে জোঁক ধরে বসবে।


[ছবি] আনোয়ার জয়, তারিক উবায়দা, মাহমুদ হাসান রাজিব

(Visited 1 times, 1 visits today)
সালেহীন আরশাদী
সালেহীন আরশাদী
সারাদিন শুয়ে শুয়ে বই পড়া তার শখ। পাহাড়ে যাওয়াটাকে জীবন দর্শন মনে করেন। প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা পাহাড়ের ঔষধশাস্ত্র নিয়ে গবেষণা করা তার স্বপ্ন।

৪ thoughts on “জোঁকের সাতকাহণ

  1. অন্ত্রে জোক ঢুকে গেলে করনিয় কি? আমি দলের সবচেয়ে দূর্বল সদস্যের সাথে ট্রেকিংে থাকি। এখন পর্যন্ত আমাদের দলের মধ্যে আমিই সবচেয়ে কম জোকের শিকার হয়েছি।

    1. জোঁক থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে নিজের সেন্সকে একটিভ পর্যায়ে রাখা। েকটু পর পর চেক করা। আর যদি জোঁক ঢুকেই যায় তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিকটস্থ মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া।

মন্তব্য করুন

*Please Be Cool About Captcha. It's Fun! :)